বিক্ষোভ দমনের খেসারত, ইরানের অভিজাত বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী’ ঘোষণা ইইউ’র
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রক্তক্ষয়ী দমনপীড়নের অভিযোগে দেশটির অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর আগে ফ্রান্স ও ইতালি এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন দিয়েছিল।
জোটের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানোর প্রতিবাদে তেহরানের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে হাজার হাজার নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা কোনো সরকারের পক্ষে কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই ধরনের নিষ্ঠুর আচরণ মূলত সংশ্লিষ্ট শাসকদের নিজেদের পতনই ডেকে আনে। নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইলও ইরানে সাম্প্রতিক রক্তপাতের নিন্দা জানিয়ে ইইউ’র এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে অভিহিত করেছেন।

এই সিদ্ধান্তের জন্য ইইউকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরানের চিরশত্রু ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র একে একটি ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ইউরোপের মাটিতে আইআরজিসির সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করা অনেক সহজ হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বিক্ষোভ দমনের খেসারত, ইরানের অভিজাত বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী’ ঘোষণা ইইউ’র
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রক্তক্ষয়ী দমনপীড়নের অভিযোগে দেশটির অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর আগে ফ্রান্স ও ইতালি এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন দিয়েছিল।
জোটের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানোর প্রতিবাদে তেহরানের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে হাজার হাজার নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা কোনো সরকারের পক্ষে কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই ধরনের নিষ্ঠুর আচরণ মূলত সংশ্লিষ্ট শাসকদের নিজেদের পতনই ডেকে আনে। নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইলও ইরানে সাম্প্রতিক রক্তপাতের নিন্দা জানিয়ে ইইউ’র এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে অভিহিত করেছেন।

এই সিদ্ধান্তের জন্য ইইউকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরানের চিরশত্রু ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র একে একটি ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ইউরোপের মাটিতে আইআরজিসির সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করা অনেক সহজ হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…