ইরানকে অস্থিতিশীল করে সরকার পতনের ছক ট্রাম্পের
সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে সুপরিকল্পিত সামরিক হামলার মাধ্যমে ইরানের বর্তমান সরকার পতন ঘটানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এখন কঠোর সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে, যার লক্ষ্য হলো বিক্ষোভ উসকে দিয়ে দেশটিতে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসন পরিবর্তন ঘটানো।
মার্কিন এই কৌশল অনুযায়ী, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হবে, যাতে সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। তবে ইসরায়েলি ও আরব কর্মকর্তারা মনে করছেন, শুধুমাত্র বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করা সম্ভব নয়। এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার লক্ষ্য যদি সত্যিই শাসন পরিবর্তন করা হয়, তবে স্থলবাহিনী পাঠানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যাও করে, তবুও তার স্থলাভিষিক্ত কেউ নতুন নেতা হিসেবে আবির্ভূত হবেন বলে মন্তব্য করেছেন ওই কর্মকর্তা। তার মতে, বাহ্যিক চাপের পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরে সংগঠিত বিরোধী শক্তির সমন্বয় ছাড়া রাজনৈতিক গতিপথ পরিবর্তন করা কঠিন, যদিও অর্থনৈতিক সংকটে দেশটির নেতৃত্ব কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানকে অস্থিতিশীল করে সরকার পতনের ছক ট্রাম্পের
সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে সুপরিকল্পিত সামরিক হামলার মাধ্যমে ইরানের বর্তমান সরকার পতন ঘটানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এখন কঠোর সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে, যার লক্ষ্য হলো বিক্ষোভ উসকে দিয়ে দেশটিতে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসন পরিবর্তন ঘটানো।
মার্কিন এই কৌশল অনুযায়ী, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হবে, যাতে সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। তবে ইসরায়েলি ও আরব কর্মকর্তারা মনে করছেন, শুধুমাত্র বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করা সম্ভব নয়। এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার লক্ষ্য যদি সত্যিই শাসন পরিবর্তন করা হয়, তবে স্থলবাহিনী পাঠানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যাও করে, তবুও তার স্থলাভিষিক্ত কেউ নতুন নেতা হিসেবে আবির্ভূত হবেন বলে মন্তব্য করেছেন ওই কর্মকর্তা। তার মতে, বাহ্যিক চাপের পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরে সংগঠিত বিরোধী শক্তির সমন্বয় ছাড়া রাজনৈতিক গতিপথ পরিবর্তন করা কঠিন, যদিও অর্থনৈতিক সংকটে দেশটির নেতৃত্ব কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…