যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরান পতনে সীমান্ত জোরদারে তুরস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসনের কারণে ইরানে সরকার পতনের আশঙ্কায় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দেশটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যদি ওয়াশিংটন তেহরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায় এবং তাতে ইরানের বর্তমান সরকার পতন ঘটে, তবে আঙ্কারা তাদের সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গত সোমবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, একটি বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অবস্থান নিয়েছে। চলতি মাসে ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপের কারণে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। অতীতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের বিরোধী হলেও এবার সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তুরস্কের মূল লক্ষ্য।

ন্যাটো জোটের সদস্য তুরস্কের সাথে ইরানের প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তের একটি বিশাল অংশে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার দেয়াল তৈরি করা হলেও তা যথেষ্ট কার্যকর প্রমাণিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ওই কর্মকর্তা। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তুর্কি কর্মকর্তারা ‘বাফার জোন’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত রয়েছেন। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরান পতনে সীমান্ত জোরদারে তুরস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসনের কারণে ইরানে সরকার পতনের আশঙ্কায় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দেশটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যদি ওয়াশিংটন তেহরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায় এবং তাতে ইরানের বর্তমান সরকার পতন ঘটে, তবে আঙ্কারা তাদের সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গত সোমবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, একটি বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অবস্থান নিয়েছে। চলতি মাসে ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপের কারণে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। অতীতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের বিরোধী হলেও এবার সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তুরস্কের মূল লক্ষ্য।

ন্যাটো জোটের সদস্য তুরস্কের সাথে ইরানের প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তের একটি বিশাল অংশে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার দেয়াল তৈরি করা হলেও তা যথেষ্ট কার্যকর প্রমাণিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ওই কর্মকর্তা। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তুর্কি কর্মকর্তারা ‘বাফার জোন’ শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত রয়েছেন। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…