খামেনির পর কে? ইরানের শাসন বদল নিয়ে মুখ খুললেন যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কূটনৈতিক চাপের মধ্যে, দেশটির বর্তমান শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন বা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত কে হবেন—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সিনেট কমিটির বৈঠকে তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের শাসক পরিবর্তন কোনো সহজ বা দ্রুত সমাধানযোগ্য বিষয় নয় এবং এর ভবিষ্যৎ পরিণতি অনিশ্চিত।
রুবিও বক্তৃতার এক পর্যায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এটি মাইক্রোওভেনে দুই মিনিটে গরম করা ফ্রোজেন খাবারের মতো নয় যা দ্রুত প্রস্তুত করা সম্ভব। এর পেছনের রাজনৈতিক বাস্তবতা অত্যন্ত জটিল। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তিনি তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধে দ্রুত আলোচনায় বসতে হবে, অন্যথায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে যা আগের চেয়েও ধ্বংসাত্মক হতে পারে।
এমন সামরিক হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কোনো আপস করতে রাজি নয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, হুমকির মুখে আলোচনা সম্ভব নয় এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব তাৎক্ষণিক ও কঠোরভাবে দেওয়া হবে। তবে মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, মিত্র ও মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আগাম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, যদিও তিনি পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রত্যাশা করছেন।

