ইরানে হামলার গুঞ্জন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর ও সামরিক মহড়া
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের দিকে আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর রওনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আশা করি তারা সমঝোতায় আসবে। তবে হুমকির মুখে কোনো আলোচনা নয় বলে জানিয়েছে ইরান।
গত সোমবার মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পৌঁছেছে। এতে কয়েক হাজার নাবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী জাহাজ রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ওয়ারফেস সেন্ট্রাল জানিয়েছে, অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন ও সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য কয়েক দিনের মহড়া চালানো হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার স্পষ্ট করে বলেছেন, সামরিক হুমকি দিয়ে কূটনৈতিক সমাধান সম্ভব নয়।

সামরিক অভিযানের জন্য সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে ফোন করে এ আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে তেহরান এর জন্য বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতাপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী’দের দায়ী করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানে হামলার গুঞ্জন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর ও সামরিক মহড়া
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের দিকে আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর রওনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আশা করি তারা সমঝোতায় আসবে। তবে হুমকির মুখে কোনো আলোচনা নয় বলে জানিয়েছে ইরান।
গত সোমবার মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পৌঁছেছে। এতে কয়েক হাজার নাবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী জাহাজ রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ওয়ারফেস সেন্ট্রাল জানিয়েছে, অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন ও সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য কয়েক দিনের মহড়া চালানো হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার স্পষ্ট করে বলেছেন, সামরিক হুমকি দিয়ে কূটনৈতিক সমাধান সম্ভব নয়।

সামরিক অভিযানের জন্য সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে ফোন করে এ আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে তেহরান এর জন্য বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতাপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী’দের দায়ী করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…