ট্রাম্পের হুমকির মুখে ইরানি রিয়ালের ইতিহাসের সর্বনিম্ন দর
মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের বিনিময় মূল্য এবার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দেশটির মুক্তবাজারে এক ডলারের বিনিময়ে ১৬ লাখ ২০ হাজার ৫০০ রিয়াল দাম নির্ধারণ করা হয়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় দেড় লাখ রিয়াল কম। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে এই ভয়াবহ দরপতন দেশটির অর্থনীতিতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
মুদ্রাবাজারে এই অস্থিরতার পেছনে রয়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাহ্যিক সামরিক হুমকি। গত মাসের শেষের দিকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ জানুয়ারি থেকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে ইরানের বাইরে ইস্তাম্বুল বা বাগদাদের বাজারগুলোতে রিয়ালের প্রকৃত দর সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দেন। এর ফলে বাজারে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দরপতন ত্বরান্বিত হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরান ঘিরে নৌ অবরোধ সৃষ্টি করতে পারে অথবা তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে আক্রমণ চালাতে পারে, যা দেশটির অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ইরানি রিয়ালের ইতিহাসের সর্বনিম্ন দর
মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের বিনিময় মূল্য এবার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দেশটির মুক্তবাজারে এক ডলারের বিনিময়ে ১৬ লাখ ২০ হাজার ৫০০ রিয়াল দাম নির্ধারণ করা হয়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় দেড় লাখ রিয়াল কম। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে এই ভয়াবহ দরপতন দেশটির অর্থনীতিতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
মুদ্রাবাজারে এই অস্থিরতার পেছনে রয়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাহ্যিক সামরিক হুমকি। গত মাসের শেষের দিকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ জানুয়ারি থেকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে ইরানের বাইরে ইস্তাম্বুল বা বাগদাদের বাজারগুলোতে রিয়ালের প্রকৃত দর সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দেন। এর ফলে বাজারে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দরপতন ত্বরান্বিত হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরান ঘিরে নৌ অবরোধ সৃষ্টি করতে পারে অথবা তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে আক্রমণ চালাতে পারে, যা দেশটির অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…