যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই হেফাজতে ও গুলিতে প্রাণ গেল ৮ জনের
চলতি বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিইর (ICE) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত জানুয়ারি মাসে এই বাহিনীর হেফাজতে এবং তাদের গুলিতে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত কিংবা আটকে রেখে হত্যার এই ঘটনাগুলো নিয়ে আমেরিকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নিহতদের মধ্যে সবশেষ গত ২৪ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে এক বিক্ষোভের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে প্রাণ হারান ৩৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স প্রেট্টি। এর আগে ৭ জানুয়ারি একই শহরে নিজ গাড়ির ভেতরে গুলিবিদ্ধ হন রেনে নিকোল গুড। এছাড়া টেক্সাসে আইসিই হেফাজতে মারা যান হন্ডুরাসের নাগরিক লুইস গুস্তাভো নুনেজ কাসেরেস এবং এল পাসোর একটি কেন্দ্রে মৃত্যু হয় কিউবার নাগরিক জেরালদো লুনা ক্যাম্পোসের। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট জানিয়েছে জেরালদোর মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, যদিও আইসিই দাবি করেছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পরিবারের অভিযোগ, হেফাজতে পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবেই এই মৃত্যুগুলো ঘটছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালে আইসিই হেফাজতে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা ২০০৪ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে এই প্রাণহানির মিছিল নিয়ে দেশটিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই হেফাজতে ও গুলিতে প্রাণ গেল ৮ জনের
চলতি বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিইর (ICE) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত জানুয়ারি মাসে এই বাহিনীর হেফাজতে এবং তাদের গুলিতে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত কিংবা আটকে রেখে হত্যার এই ঘটনাগুলো নিয়ে আমেরিকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নিহতদের মধ্যে সবশেষ গত ২৪ জানুয়ারি মিনিয়াপোলিসে এক বিক্ষোভের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে প্রাণ হারান ৩৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স প্রেট্টি। এর আগে ৭ জানুয়ারি একই শহরে নিজ গাড়ির ভেতরে গুলিবিদ্ধ হন রেনে নিকোল গুড। এছাড়া টেক্সাসে আইসিই হেফাজতে মারা যান হন্ডুরাসের নাগরিক লুইস গুস্তাভো নুনেজ কাসেরেস এবং এল পাসোর একটি কেন্দ্রে মৃত্যু হয় কিউবার নাগরিক জেরালদো লুনা ক্যাম্পোসের। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট জানিয়েছে জেরালদোর মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, যদিও আইসিই দাবি করেছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পরিবারের অভিযোগ, হেফাজতে পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবেই এই মৃত্যুগুলো ঘটছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালে আইসিই হেফাজতে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা ২০০৪ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে এই প্রাণহানির মিছিল নিয়ে দেশটিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…