জর্ডান থেকে সমুদ্র: ফিলিস্তিন রাষ্ট্র মানবেন না নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত সমগ্র অঞ্চলের ওপর ইসরাইলের পূর্ণ সার্বভৌম ক্ষমতা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এই নেতা এও ঘোষণা করেছেন যে, তিনি বা তার সরকার কোনোভাবেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অনুমোদন দেবে না।
নিরাপত্তার স্বার্থে গাজার ওপর পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ওপর জোর দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্র করা এবং তাদের অস্ত্রভাণ্ডার ও ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংস না করা পর্যন্ত গাজায় কোনো পুনর্গঠন কার্যক্রম চলবে না। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে দখল করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। একইসঙ্গে তুরস্ক বা কাতারসহ যেকোনো বিদেশি সেনাবাহিনীকে গাজায় মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী।

নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতিফলন বলে দাবি করা হয়েছে। তার মতে, গাজাসহ সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইসরায়েলের হাতেই থাকতে হবে এবং এই নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না। ফলে গাজা ইস্যুতে দুই রাষ্ট্র সমাধানের পথ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়লো।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
জর্ডান থেকে সমুদ্র: ফিলিস্তিন রাষ্ট্র মানবেন না নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত সমগ্র অঞ্চলের ওপর ইসরাইলের পূর্ণ সার্বভৌম ক্ষমতা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এই নেতা এও ঘোষণা করেছেন যে, তিনি বা তার সরকার কোনোভাবেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অনুমোদন দেবে না।
নিরাপত্তার স্বার্থে গাজার ওপর পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ওপর জোর দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্র করা এবং তাদের অস্ত্রভাণ্ডার ও ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংস না করা পর্যন্ত গাজায় কোনো পুনর্গঠন কার্যক্রম চলবে না। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে দখল করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। একইসঙ্গে তুরস্ক বা কাতারসহ যেকোনো বিদেশি সেনাবাহিনীকে গাজায় মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী।

নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থের প্রতিফলন বলে দাবি করা হয়েছে। তার মতে, গাজাসহ সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইসরায়েলের হাতেই থাকতে হবে এবং এই নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না। ফলে গাজা ইস্যুতে দুই রাষ্ট্র সমাধানের পথ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়লো।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…