লিবিয়ায় বিশাল তেল চুক্তি, ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা
ত্রিপোলিভিত্তিক লিবিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সাথে এক বিশাল তেল চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপস এবং ফরাসি প্রতিষ্ঠান টোটাল এনার্জিসের সাথে স্বাক্ষরিত এই ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির ফলে দেশটির জ্বালানি খাতে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তির আওতায় ওয়াহা ওয়েল কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রায় ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে যেখানে দৈনিক তিন লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়, তা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আট লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে উন্নীত করা হবে। চারটি নতুন তেলক্ষেত্র উন্নয়ন ও ১৯টি কনসেশন এলাকায় অনুসন্ধানের মাধ্যমে পরবর্তী ২৫ বছরে লিবিয়ার কোষাগারে প্রায় ৩৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার রাজস্ব আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ আল-দবেইবাহ মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্ষমতাধর পক্ষগুলোর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব এক মানসম্পন্ন ও অনন্য সাফল্য, যা তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। এছাড়াও ত্রিপোলি সরকার মিশর এবং মার্কিন কোম্পানি শেভরনের সাথেও অনুরূপ সহযোগিতার চুক্তি করেছে। এসব চুক্তি ত্রিপোলি সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আস্থার বার্তা দেয়, যা দেশটির ভূ-রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
লিবিয়ায় বিশাল তেল চুক্তি, ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা
ত্রিপোলিভিত্তিক লিবিয়া সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সাথে এক বিশাল তেল চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপস এবং ফরাসি প্রতিষ্ঠান টোটাল এনার্জিসের সাথে স্বাক্ষরিত এই ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তির ফলে দেশটির জ্বালানি খাতে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তির আওতায় ওয়াহা ওয়েল কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রায় ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে যেখানে দৈনিক তিন লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়, তা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আট লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে উন্নীত করা হবে। চারটি নতুন তেলক্ষেত্র উন্নয়ন ও ১৯টি কনসেশন এলাকায় অনুসন্ধানের মাধ্যমে পরবর্তী ২৫ বছরে লিবিয়ার কোষাগারে প্রায় ৩৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার রাজস্ব আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ আল-দবেইবাহ মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্ষমতাধর পক্ষগুলোর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব এক মানসম্পন্ন ও অনন্য সাফল্য, যা তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। এছাড়াও ত্রিপোলি সরকার মিশর এবং মার্কিন কোম্পানি শেভরনের সাথেও অনুরূপ সহযোগিতার চুক্তি করেছে। এসব চুক্তি ত্রিপোলি সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আস্থার বার্তা দেয়, যা দেশটির ভূ-রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…