মার্কিন নির্ভরতা কমাতে নতুন নিরাপত্তা চুক্তির ড্রাফট ইসরাইলের
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সামরিক সহায়তার অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে নতুন একটি ১০ বছর মেয়াদি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা গিল পিনচাস গত মঙ্গলবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন থেকে প্রাপ্ত নগদ অনুদানের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে খুব শিগগিরই এই প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হবে।
বর্তমানে ইসরাইল প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার সরাসরি আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে, যা দিয়ে মূলত মার্কিন অস্ত্র কেনা হয়। ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা পাওয়ার কথা তেল আবিবের। তবে নতুন আলোচনায় এই নগদ অনুদানের বদলে যৌথ সামরিক প্রকল্প এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনে জোর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পিনচাস। তাঁর মতে, চুক্তির মূল্য শুধুমাত্র অর্থের হিসাবে নয়, বরং কৌশলগত অংশীদারত্বের মাধ্যমেও মূল্যায়ন করা উচিত।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও চলতি মাসের শুরুতে স্পষ্ট করেছেন যে, আগামী এক দশকে ধাপে ধাপে মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা হবে এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এদিকে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মার্কিন নির্ভরতা কমাতে নতুন নিরাপত্তা চুক্তির ড্রাফট ইসরাইলের
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সামরিক সহায়তার অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে নতুন একটি ১০ বছর মেয়াদি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা গিল পিনচাস গত মঙ্গলবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন থেকে প্রাপ্ত নগদ অনুদানের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে খুব শিগগিরই এই প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হবে।
বর্তমানে ইসরাইল প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার সরাসরি আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে, যা দিয়ে মূলত মার্কিন অস্ত্র কেনা হয়। ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা পাওয়ার কথা তেল আবিবের। তবে নতুন আলোচনায় এই নগদ অনুদানের বদলে যৌথ সামরিক প্রকল্প এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনে জোর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পিনচাস। তাঁর মতে, চুক্তির মূল্য শুধুমাত্র অর্থের হিসাবে নয়, বরং কৌশলগত অংশীদারত্বের মাধ্যমেও মূল্যায়ন করা উচিত।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও চলতি মাসের শুরুতে স্পষ্ট করেছেন যে, আগামী এক দশকে ধাপে ধাপে মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা হবে এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এদিকে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…