মার্কিন সহায়তা কমাতে ১০ বছরের নতুন চুক্তির খসড়া তৈরি করছে ইসরাইল
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন ১০ বছর মেয়াদি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করছে ইসরায়েল, যার মূল লক্ষ্য হলো ওয়াশিংটনের সরাসরি অর্থনৈতিক সহায়তা কমিয়ে আনা। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা গিল পিনচাস জানিয়েছেন, নগদ অনুদানের পরিবর্তে যৌথ সামরিক ও প্রতিরক্ষা প্রকল্পে গুরুত্ব দিতে চান তারা এবং এ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে।
বর্তমানে ইসরায়েল প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা পায়। ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হবে, তার আগেই তেল আবিব নতুন কৌশল নিয়ে কাজ করতে চায়। গিল পিনচাস বলেছেন, এই চুক্তি কেবল অর্থের হিসাব নয়, বরং দুই দেশের সামগ্রিক অংশীদারত্বই মূল বিষয়, যার অনেক দিক রয়েছে যা অর্থের চেয়েও বেশি মূল্যবান।

চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও জানিয়েছিলেন, আগামী এক দশকে মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হবে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মার্কিন সহায়তা কমাতে ১০ বছরের নতুন চুক্তির খসড়া তৈরি করছে ইসরাইল
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন ১০ বছর মেয়াদি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করছে ইসরায়েল, যার মূল লক্ষ্য হলো ওয়াশিংটনের সরাসরি অর্থনৈতিক সহায়তা কমিয়ে আনা। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা গিল পিনচাস জানিয়েছেন, নগদ অনুদানের পরিবর্তে যৌথ সামরিক ও প্রতিরক্ষা প্রকল্পে গুরুত্ব দিতে চান তারা এবং এ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে।
বর্তমানে ইসরায়েল প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা পায়। ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হবে, তার আগেই তেল আবিব নতুন কৌশল নিয়ে কাজ করতে চায়। গিল পিনচাস বলেছেন, এই চুক্তি কেবল অর্থের হিসাব নয়, বরং দুই দেশের সামগ্রিক অংশীদারত্বই মূল বিষয়, যার অনেক দিক রয়েছে যা অর্থের চেয়েও বেশি মূল্যবান।

চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও জানিয়েছিলেন, আগামী এক দশকে মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হবে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…