বাঁশি প্রতীক নিয়ে মোদি-বিরোধী রাজনীতিতে ময়দানে নামলেন বিজয়
দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থালাপতি বিজয় এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নরেন্দ্র মোদির অন্যতম বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নীতির বিরোধিতা করে ‘তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম’ (টিভিকে) নামে নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন তিনি। দলের প্রতীক হিসেবে বাঁশি বেছে নিয়ে ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন এই সুপারস্টার।
বিজেপির হিন্দুত্ববাদ এবং কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার রাজনীতির বিপরীতে বিজয়ের দল ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায় ও বামপন্থী আদর্শকে মূল ভিত্তি হিসেবে সামনে এনেছে। গত রোববার মহাবালিপুরমে দলের রাজ্য ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে এক সভায় বিজয় দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করি না। এই মুখটা দেখে কি মনে হয়, চাপের কাছে নত হবে?’ সিনেমা নিয়ে প্রশাসনিক হয়রানি হলেও তিনি আপোষ করবেন না বলে জানিয়েছেন।

আগামী নির্বাচনকে লক্ষ্য করে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করছে টিভিকে। লাখো মানুষের সমর্থন এবং শক্তিশালী কাঠামো নিয়ে বিজয় এখন তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করেছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তার ছবি মুক্তি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার পেছনেও বিদ্যমান রাজনৈতিক সমীকরণই প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বাঁশি প্রতীক নিয়ে মোদি-বিরোধী রাজনীতিতে ময়দানে নামলেন বিজয়
দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থালাপতি বিজয় এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নরেন্দ্র মোদির অন্যতম বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নীতির বিরোধিতা করে ‘তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম’ (টিভিকে) নামে নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন তিনি। দলের প্রতীক হিসেবে বাঁশি বেছে নিয়ে ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন এই সুপারস্টার।
বিজেপির হিন্দুত্ববাদ এবং কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার রাজনীতির বিপরীতে বিজয়ের দল ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায় ও বামপন্থী আদর্শকে মূল ভিত্তি হিসেবে সামনে এনেছে। গত রোববার মহাবালিপুরমে দলের রাজ্য ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে এক সভায় বিজয় দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করি না। এই মুখটা দেখে কি মনে হয়, চাপের কাছে নত হবে?’ সিনেমা নিয়ে প্রশাসনিক হয়রানি হলেও তিনি আপোষ করবেন না বলে জানিয়েছেন।

আগামী নির্বাচনকে লক্ষ্য করে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করছে টিভিকে। লাখো মানুষের সমর্থন এবং শক্তিশালী কাঠামো নিয়ে বিজয় এখন তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করেছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তার ছবি মুক্তি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার পেছনেও বিদ্যমান রাজনৈতিক সমীকরণই প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…