ভারতকে বন্ধু ও অংশীদার বললেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এসময় তিনি জানান, পরস্পরের জন্য ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু এবং অংশীদার হওয়াটাই দুই দেশের জন্য সঠিক পথ। দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনার মাঝে চীনা প্রেসিডেন্টের এই বার্তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
শি জিনপিং মনে করেন, গত এক বছর ধরে দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নতি বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। তিনি ‘ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ’-এর রূপক ব্যবহার করে বলেন, পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি একে অপরের উদ্বেগ দূর করে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশা রাখে বেইজিং।

প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিরোধপূর্ণ সীমান্ত নিয়ে ১৯৫০-এর দশক থেকেই টানাপোড়েন চলছে। ২০২০ সালের সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনাসহ বহু প্রাণহানির পর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে সম্প্রতি উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং ২০২৫ সালে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় শুরুর মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে হাঁটছে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে তারা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ভারতকে বন্ধু ও অংশীদার বললেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এসময় তিনি জানান, পরস্পরের জন্য ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু এবং অংশীদার হওয়াটাই দুই দেশের জন্য সঠিক পথ। দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনার মাঝে চীনা প্রেসিডেন্টের এই বার্তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
শি জিনপিং মনে করেন, গত এক বছর ধরে দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নতি বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। তিনি ‘ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ’-এর রূপক ব্যবহার করে বলেন, পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি একে অপরের উদ্বেগ দূর করে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশা রাখে বেইজিং।

প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিরোধপূর্ণ সীমান্ত নিয়ে ১৯৫০-এর দশক থেকেই টানাপোড়েন চলছে। ২০২০ সালের সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনাসহ বহু প্রাণহানির পর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে সম্প্রতি উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং ২০২৫ সালে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় শুরুর মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে হাঁটছে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে তারা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…