ইরানে হামলার জন্য আমিরাতের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ নেই
সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের দেশের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা জলসীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক হামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে না। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছে, তৃতীয় কোনো পক্ষ যেন তাদের মাটি ব্যবহার করে শত্রুতামূলক কোনো কার্যকলাপে লিপ্ত হতে না পারে।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ এও নিশ্চিত করেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কোনো আগ্রাসনের জন্য তারা কোনো ধরনের লজিস্টিক সহযোগিতাও প্রদান করবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর জন্য সংলাপ এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাই একমাত্র পথ। এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে তাদের যুদ্ধজাহাজের বহর পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন। বর্তমানে আবুধাবির কাছে অবস্থিত আল ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আমিরাতের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দেয় যে, তারা ইরানের সাথে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চায় না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট মোকাবেলায় শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর ওপরই তারা গুরুত্বারোপ করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানে হামলার জন্য আমিরাতের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ নেই
সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের দেশের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা জলসীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক হামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে না। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছে, তৃতীয় কোনো পক্ষ যেন তাদের মাটি ব্যবহার করে শত্রুতামূলক কোনো কার্যকলাপে লিপ্ত হতে না পারে।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ এও নিশ্চিত করেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কোনো আগ্রাসনের জন্য তারা কোনো ধরনের লজিস্টিক সহযোগিতাও প্রদান করবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর জন্য সংলাপ এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাই একমাত্র পথ। এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে তাদের যুদ্ধজাহাজের বহর পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন। বর্তমানে আবুধাবির কাছে অবস্থিত আল ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আমিরাতের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দেয় যে, তারা ইরানের সাথে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চায় না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট মোকাবেলায় শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর ওপরই তারা গুরুত্বারোপ করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…