মেডিকেলে ভর্তির আশায় নিজের পা কাটলেন সুরজ
ভারতের উত্তর প্রদেশের জৌনপুর জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার আশায় প্রতিবন্ধী কোটার সুবিধা নিতে নিজের পা কেটে ফেলার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে অজ্ঞাত হামলাকারীদের দোষারোপ করলেও পুলিশি তদন্তে সত্য উদঘাটন হয়েছে এবং বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। খালিলপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম সুরজ ভাস্কার (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুরজ ভাস্কার পর পর দুইবার ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মেডিকেলে ভর্তির স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে মানসিক দুশ্চিন্তায় ভোগা সুরজ প্রতিবন্ধী কোটায় সিট পাওয়ার জন্য এই ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নেন। গত ১৮ জানুয়ারি তার বড় ভাই আকাশ ভাস্কার পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে, অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা সুরজকে অচেতন করে তার একটি পা কেটে ফেলেছে।

লাইন বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ সতীশ সিং জানান, সিটি সার্কেল অফিসার গোল্ডি গুপ্তা মামলাটির তদন্ত করছেন। তদন্তের একপর্যায়ে সুরজের বক্তব্যে একাধিক অসংগতি ধরা পড়ে এবং তার মোবাইলের কল লিস্ট বিশ্লেষণ করে সত্য বেরিয়ে আসে। এছাড়া পুলিশ তার কাছ থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে, যেখানে ‘২০২৬ সালে আমি এমবিবিএস ডাক্তার হব’—এমন কথা লেখা ছিল। বর্তমানে সুরজ একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ পরামর্শ নিচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মেডিকেলে ভর্তির আশায় নিজের পা কাটলেন সুরজ
ভারতের উত্তর প্রদেশের জৌনপুর জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার আশায় প্রতিবন্ধী কোটার সুবিধা নিতে নিজের পা কেটে ফেলার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে অজ্ঞাত হামলাকারীদের দোষারোপ করলেও পুলিশি তদন্তে সত্য উদঘাটন হয়েছে এবং বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। খালিলপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম সুরজ ভাস্কার (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুরজ ভাস্কার পর পর দুইবার ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মেডিকেলে ভর্তির স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে মানসিক দুশ্চিন্তায় ভোগা সুরজ প্রতিবন্ধী কোটায় সিট পাওয়ার জন্য এই ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নেন। গত ১৮ জানুয়ারি তার বড় ভাই আকাশ ভাস্কার পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে, অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা সুরজকে অচেতন করে তার একটি পা কেটে ফেলেছে।

লাইন বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ সতীশ সিং জানান, সিটি সার্কেল অফিসার গোল্ডি গুপ্তা মামলাটির তদন্ত করছেন। তদন্তের একপর্যায়ে সুরজের বক্তব্যে একাধিক অসংগতি ধরা পড়ে এবং তার মোবাইলের কল লিস্ট বিশ্লেষণ করে সত্য বেরিয়ে আসে। এছাড়া পুলিশ তার কাছ থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে, যেখানে ‘২০২৬ সালে আমি এমবিবিএস ডাক্তার হব’—এমন কথা লেখা ছিল। বর্তমানে সুরজ একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ পরামর্শ নিচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…