দক্ষিণ ফিলিপাইনে ফেরি ডুবে নিহত ৭, নিখোঁজ ১৪৪, উদ্ধার চলছে
দক্ষিণ ফিলিপাইনের বাসিলান প্রদেশের উপকূলে ভয়াবহ ফেরি ডুবির ঘটনায় কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রায় সাড়ে তিনশ যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। নিহতদের মধ্যে শিশুরাও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
জাম্বোয়াঙ্গা বন্দর থেকে জোলো দ্বীপের দিকে যাওয়ার পথে ‘এমভি ত্রিশা কার্স্টিন ৩’ নামক ফেরিটি ডুবে যায়। দক্ষিণ মিন্দানাও জেলার কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া জানান, ফেরিটিতে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন কর্মী ছিলেন। অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ২১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। তবে এখনো ১৪৪ জনকে নিখোঁজ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তাদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাহিং-ন্যানোহ জানিয়েছেন, রাতের অন্ধকার এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের তীব্রতার কারণে উদ্ধার কাজ বেগ পাচ্ছে। ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি নিহতের সংখ্যা আটজন বলেও দাবি করেছেন। অপরদিকে কোস্টগার্ড জানিয়েছে, যাত্রার আগে ফেরিটি পরিদর্শন করা হয়েছিল এবং তখন অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
দক্ষিণ ফিলিপাইনে ফেরি ডুবে নিহত ৭, নিখোঁজ ১৪৪, উদ্ধার চলছে
দক্ষিণ ফিলিপাইনের বাসিলান প্রদেশের উপকূলে ভয়াবহ ফেরি ডুবির ঘটনায় কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রায় সাড়ে তিনশ যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। নিহতদের মধ্যে শিশুরাও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
জাম্বোয়াঙ্গা বন্দর থেকে জোলো দ্বীপের দিকে যাওয়ার পথে ‘এমভি ত্রিশা কার্স্টিন ৩’ নামক ফেরিটি ডুবে যায়। দক্ষিণ মিন্দানাও জেলার কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া জানান, ফেরিটিতে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন কর্মী ছিলেন। অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ২১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। তবে এখনো ১৪৪ জনকে নিখোঁজ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তাদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাহিং-ন্যানোহ জানিয়েছেন, রাতের অন্ধকার এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের তীব্রতার কারণে উদ্ধার কাজ বেগ পাচ্ছে। ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি নিহতের সংখ্যা আটজন বলেও দাবি করেছেন। অপরদিকে কোস্টগার্ড জানিয়েছে, যাত্রার আগে ফেরিটি পরিদর্শন করা হয়েছিল এবং তখন অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…