শীতে কাঁপছে কিয়েভ, জরুরি বিমান প্রতিরক্ষা চাইলেন জেলেনস্কি
গুরুতর মানবিক সংকটের মুখে পশ্চিমা জোটের কাছে অবিলম্বে আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে পৌঁছে তিনি এই আকুতি জানান, যখন ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো রুশ বাহিনীর টানা হামলায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।
চলতি সপ্তাহে রাশিয়া প্রায় ১ হাজার ৭০০টির বেশি ড্রোন, ১ হাজার ৩৮০টি গাইডেড বোমা এবং ৬৯টি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে কিয়েভের প্রায় ১ হাজার ৬৭৬টি বহুতল ভবনে গত দুই দিন ধরে কোনো তাপ সরবরাহ ছাড়াই দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। শহরটির মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো জানিয়েছেন, শনিবারের হামলায় কেন্দ্রীয় হিটিং ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ১ দশমিক ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। এরই মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে।

ভিলনিয়াসে এক অনুষ্ঠানে জেলেনস্কি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের জোগান নিশ্চিত না করতে পারলে এই সংকট মোকাবিলা করা ইউক্রেনের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে। শীত ও বিদ্যুৎ সংকটের মাঝে টিকে থাকতে হলে মিত্রদের এখনই এগিয়ে আসার বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
শীতে কাঁপছে কিয়েভ, জরুরি বিমান প্রতিরক্ষা চাইলেন জেলেনস্কি
গুরুতর মানবিক সংকটের মুখে পশ্চিমা জোটের কাছে অবিলম্বে আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে পৌঁছে তিনি এই আকুতি জানান, যখন ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো রুশ বাহিনীর টানা হামলায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।
চলতি সপ্তাহে রাশিয়া প্রায় ১ হাজার ৭০০টির বেশি ড্রোন, ১ হাজার ৩৮০টি গাইডেড বোমা এবং ৬৯টি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে কিয়েভের প্রায় ১ হাজার ৬৭৬টি বহুতল ভবনে গত দুই দিন ধরে কোনো তাপ সরবরাহ ছাড়াই দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা। শহরটির মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো জানিয়েছেন, শনিবারের হামলায় কেন্দ্রীয় হিটিং ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ১ দশমিক ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। এরই মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে।

ভিলনিয়াসে এক অনুষ্ঠানে জেলেনস্কি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের জোগান নিশ্চিত না করতে পারলে এই সংকট মোকাবিলা করা ইউক্রেনের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে। শীত ও বিদ্যুৎ সংকটের মাঝে টিকে থাকতে হলে মিত্রদের এখনই এগিয়ে আসার বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…