বিশ্বব্যবস্থার ধস, মধ্যম শক্তিদের অস্তিত্ব নিয়ে কানাডার সতর্কতা
দীর্ঘ আশি বছর ধরে প্রতিষ্ঠিত আমেরিকা নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থা এখন ভেঙে পড়ার পথে। দাভোসে বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, বড় শক্তিগুলোর দাপটে ইউরোপ ও কানাডার মতো মধ্যম শক্তির দেশগুলো এখন অস্তিত্ব সংকটের মুখে।
একসময় যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের হিতৈষী শক্তি মনে করা হলেও বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছে। গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রস্তাব এবং ন্যাটো মিত্রদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে ওয়াশিংটন দীর্ঘদিনের মৈত্রীকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পের এই আচরণকে ‘অত্যন্ত অপমানজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। কার্নি সতর্ক করে বলেছেন, যখন শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো নিয়ম মানতে অস্বীকার করে, তখন ছোট দেশগুলোর আর নিরাপত্তা থাকে না। তার মতে, আলোচনার টেবিলে স্থান না পেলে কোনো দেশই খাবারের মেনুতে পরিণত হওয়া থেকে রক্ষা পায় না।

বিশ্লেষকদের অনেকে বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯ শতকের মনরো ডকট্রিনের সাথে তুলনা করছেন, যা বিশ্বকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন টিকিয়ে রাখতে হলে মধ্যম শক্তির দেশগুলোকে এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন জোট গঠনের বিকল্প নেই।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বিশ্বব্যবস্থার ধস, মধ্যম শক্তিদের অস্তিত্ব নিয়ে কানাডার সতর্কতা
দীর্ঘ আশি বছর ধরে প্রতিষ্ঠিত আমেরিকা নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থা এখন ভেঙে পড়ার পথে। দাভোসে বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, বড় শক্তিগুলোর দাপটে ইউরোপ ও কানাডার মতো মধ্যম শক্তির দেশগুলো এখন অস্তিত্ব সংকটের মুখে।
একসময় যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের হিতৈষী শক্তি মনে করা হলেও বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছে। গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রস্তাব এবং ন্যাটো মিত্রদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে ওয়াশিংটন দীর্ঘদিনের মৈত্রীকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পের এই আচরণকে ‘অত্যন্ত অপমানজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। কার্নি সতর্ক করে বলেছেন, যখন শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো নিয়ম মানতে অস্বীকার করে, তখন ছোট দেশগুলোর আর নিরাপত্তা থাকে না। তার মতে, আলোচনার টেবিলে স্থান না পেলে কোনো দেশই খাবারের মেনুতে পরিণত হওয়া থেকে রক্ষা পায় না।

বিশ্লেষকদের অনেকে বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯ শতকের মনরো ডকট্রিনের সাথে তুলনা করছেন, যা বিশ্বকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন টিকিয়ে রাখতে হলে মধ্যম শক্তির দেশগুলোকে এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন জোট গঠনের বিকল্প নেই।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…