মিনিয়াপোলিসে এজেন্টের গুলিতে নার্স নিহত, ট্রাম্পের সমালোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস শহরে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স প্রেট্টি নামে এক মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। ওই ব্যক্তি পেশায় একজন আইসিইউ নার্স ছিলেন এবং শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় শহরজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ফেডারেল বাহিনী প্রত্যাহারের চাপ বাড়ছে।
গত ৭ জানুয়ারি রেনি গুড নামে এক নারীর মৃত্যুর পর থেকেই মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন দমন অভিযান নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ এই ঘটনাকে রাজ্যবাসীর বিরুদ্ধে ‘নিষ্ঠুরতার অভিযান’ বলে অভিহিত করেছেন এবং ঘটনার তদন্ত রাজ্য সরকার করবে বলে জানিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ দাবি করেছে, ওই ব্যক্তি অস্ত্রসহ এজেন্টদের দিকে এগিয়ে আসলে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রেট্টি মোবাইল দিয়ে এজেন্টদের ভিডিও করছিলেন এবং পেপার স্প্রে ঠেকানোর চেষ্টা করছিলেন। এরপর এজেন্টরা তাকে মাটিতে ফেলে পিটিয়ে গুলি করেন। ওপেন সোর্স সংস্থা বেলিংক্যাট জানিয়েছে, গুলি চালানোর আগেই ওই ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভর্নর ওয়ালজ এবং মেয়র জ্যাকব ফ্রেকে আক্রমণ করে অভিযোগ করেন যে, তারা নিজেদের ‘অহংকার ও দম্ভের কথা’ বলে বিদ্রোহ উসকে দিচ্ছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মিনিয়াপোলিসে এজেন্টের গুলিতে নার্স নিহত, ট্রাম্পের সমালোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস শহরে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী অ্যালেক্স প্রেট্টি নামে এক মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। ওই ব্যক্তি পেশায় একজন আইসিইউ নার্স ছিলেন এবং শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় শহরজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ফেডারেল বাহিনী প্রত্যাহারের চাপ বাড়ছে।
গত ৭ জানুয়ারি রেনি গুড নামে এক নারীর মৃত্যুর পর থেকেই মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন দমন অভিযান নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ এই ঘটনাকে রাজ্যবাসীর বিরুদ্ধে ‘নিষ্ঠুরতার অভিযান’ বলে অভিহিত করেছেন এবং ঘটনার তদন্ত রাজ্য সরকার করবে বলে জানিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ দাবি করেছে, ওই ব্যক্তি অস্ত্রসহ এজেন্টদের দিকে এগিয়ে আসলে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রেট্টি মোবাইল দিয়ে এজেন্টদের ভিডিও করছিলেন এবং পেপার স্প্রে ঠেকানোর চেষ্টা করছিলেন। এরপর এজেন্টরা তাকে মাটিতে ফেলে পিটিয়ে গুলি করেন। ওপেন সোর্স সংস্থা বেলিংক্যাট জানিয়েছে, গুলি চালানোর আগেই ওই ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভর্নর ওয়ালজ এবং মেয়র জ্যাকব ফ্রেকে আক্রমণ করে অভিযোগ করেন যে, তারা নিজেদের ‘অহংকার ও দম্ভের কথা’ বলে বিদ্রোহ উসকে দিচ্ছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…