চীনকে চ্যালেঞ্জ করে খনিজ সম্পদে নতুন শক্তি হচ্ছে সৌদি
তেলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে এবার বিশাল খনিজ সম্পদের ওপর জোর দিচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির দাবি, তাদের ভূগর্ভে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিপুল সম্পদ মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে স্বর্ণ, তামা, দস্তা ও লিথিয়ামের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির অপরিহার্য উপাদান ‘রেয়ার আর্থ’ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ রয়েছে।
বৈদ্যুতিক গাড়ি, উইন্ড টারবাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে এসব খনিজের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে এই খাতের ৯৫ শতাংশেরও বেশি বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে চীন। তবে সৌদি আরব ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনার অধীনে খনিজ অনুসন্ধানের জন্য বাজেট ৫৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি মাআদেন আগামী এক দশকে এই খাতে ১১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে।

সৌদি আরবের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। গত নভেম্বরে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের এক বিনিয়োগ চুক্তির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন রিয়াদের সঙ্গে খনিজ সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। পেন্টাগনের সহায়তায় মার্কিন কোম্পানি এমপি মেটেরিয়ালস সৌদিতে একটি নতুন শোধনাগার স্থাপনে মাআদেনের সাথে কাজ করবে। বিশ্লেষকদের মতে, সস্তা জ্বালানি ও আরামকোর প্রযুক্তিগত দক্ষতা সৌদিকে খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণের আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে, যা চীনের একচেটিয়া আধিপত্যে ভাঙন ধরাতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
চীনকে চ্যালেঞ্জ করে খনিজ সম্পদে নতুন শক্তি হচ্ছে সৌদি
তেলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে এবার বিশাল খনিজ সম্পদের ওপর জোর দিচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির দাবি, তাদের ভূগর্ভে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিপুল সম্পদ মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে স্বর্ণ, তামা, দস্তা ও লিথিয়ামের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির অপরিহার্য উপাদান ‘রেয়ার আর্থ’ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ রয়েছে।
বৈদ্যুতিক গাড়ি, উইন্ড টারবাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে এসব খনিজের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে এই খাতের ৯৫ শতাংশেরও বেশি বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে চীন। তবে সৌদি আরব ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনার অধীনে খনিজ অনুসন্ধানের জন্য বাজেট ৫৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি মাআদেন আগামী এক দশকে এই খাতে ১১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে।

সৌদি আরবের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। গত নভেম্বরে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের এক বিনিয়োগ চুক্তির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন রিয়াদের সঙ্গে খনিজ সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। পেন্টাগনের সহায়তায় মার্কিন কোম্পানি এমপি মেটেরিয়ালস সৌদিতে একটি নতুন শোধনাগার স্থাপনে মাআদেনের সাথে কাজ করবে। বিশ্লেষকদের মতে, সস্তা জ্বালানি ও আরামকোর প্রযুক্তিগত দক্ষতা সৌদিকে খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণের আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে, যা চীনের একচেটিয়া আধিপত্যে ভাঙন ধরাতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…