যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষা নীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক ও স্বদেশে গুরুত্ব
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখন থেকে নিজ দেশের নিরাপত্তা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গ্রহণ করবে। ফলে ইউরোপসহ অন্যান্য অঞ্চলের মিত্রদের জন্য ওয়াশিংটনের সামরিক সহায়তা আগের চেয়ে সীমিত হতে পারে। গত শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালে প্রকাশিত ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি (এনডিএস)-এ এই নীতির পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
পূর্ববর্তী পেন্টাগন নীতির তুলনায় নতুন এই কৌশলপত্রে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে চীন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ভাষা তুলনামূলকভাবে নরম করা হয়েছে এবং বেইজিংয়ের সাথে সম্মানজনক সম্পর্ক গড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গত এনডিএসে চীনকে বৃহত্তম কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এবার মিত্র রাষ্ট্র তাইওয়ানের নাম সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, রাশিয়াকে ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলের সদস্যদের জন্য স্থায়ী কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই নতুন নীতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যখন নিজ ভূখণ্ড ও ইন্দো-প্যাসিফিকে মনোযোগ দেবে, তখন অন্যান্য অঞ্চলের মিত্রদের নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিজেরাই বহন করতে হবে, যদিও মার্কিন সহায়তা থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন এই নথিতে আগের সরকারের সমালোচনা করে বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা উপেক্ষার কারণে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষা নীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক ও স্বদেশে গুরুত্ব
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখন থেকে নিজ দেশের নিরাপত্তা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবেলাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গ্রহণ করবে। ফলে ইউরোপসহ অন্যান্য অঞ্চলের মিত্রদের জন্য ওয়াশিংটনের সামরিক সহায়তা আগের চেয়ে সীমিত হতে পারে। গত শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালে প্রকাশিত ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি (এনডিএস)-এ এই নীতির পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
পূর্ববর্তী পেন্টাগন নীতির তুলনায় নতুন এই কৌশলপত্রে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে চীন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ভাষা তুলনামূলকভাবে নরম করা হয়েছে এবং বেইজিংয়ের সাথে সম্মানজনক সম্পর্ক গড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গত এনডিএসে চীনকে বৃহত্তম কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এবার মিত্র রাষ্ট্র তাইওয়ানের নাম সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, রাশিয়াকে ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলের সদস্যদের জন্য স্থায়ী কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই নতুন নীতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যখন নিজ ভূখণ্ড ও ইন্দো-প্যাসিফিকে মনোযোগ দেবে, তখন অন্যান্য অঞ্চলের মিত্রদের নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিজেরাই বহন করতে হবে, যদিও মার্কিন সহায়তা থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন এই নথিতে আগের সরকারের সমালোচনা করে বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা উপেক্ষার কারণে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…