যেকোনো হামলা সর্বাত্মক যুদ্ধ: মার্কিন বহরের পাল্টা ইরানের হুঁশিয়ারি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ও সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছার খবরের মধ্যেই তেহরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার যেকোনো ধরনের আগ্রাসনকেই তারা ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে এবং সে অনুযায়ী কঠোর জবাব দেবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, সীমিত বা বড় আকারের—যেমনই হামলা হোক না কেন, তার জেরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। দেশটির সব সামরিক ব্যবস্থা বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশ্যে একটি নৌবহর পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই বাহিনী ব্যবহার করতে হবে না। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড বা পারমাণবিক কর্মসূচি চালু করা থেকে বিরত থাকার জন্যও ইরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অতীতে উত্তেজনা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করলেও গত বছর জুনে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশ দেখা গিয়েছিল। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান সামরিক হুমকির মুখে তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই এবং তারা যেকোনো মূল্যে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যেকোনো হামলা সর্বাত্মক যুদ্ধ: মার্কিন বহরের পাল্টা ইরানের হুঁশিয়ারি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ও সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছার খবরের মধ্যেই তেহরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার যেকোনো ধরনের আগ্রাসনকেই তারা ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে এবং সে অনুযায়ী কঠোর জবাব দেবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, সীমিত বা বড় আকারের—যেমনই হামলা হোক না কেন, তার জেরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। দেশটির সব সামরিক ব্যবস্থা বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশ্যে একটি নৌবহর পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই বাহিনী ব্যবহার করতে হবে না। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড বা পারমাণবিক কর্মসূচি চালু করা থেকে বিরত থাকার জন্যও ইরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অতীতে উত্তেজনা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করলেও গত বছর জুনে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশ দেখা গিয়েছিল। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান সামরিক হুমকির মুখে তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই এবং তারা যেকোনো মূল্যে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…