গাজায় সেনা পাঠাবে কি পাকিস্তান? চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদের
ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (আইএসএফ) সেনা পাঠাবে কি না, তা নির্ধারণের এখতিয়ার একমাত্র পাকিস্তানের সংসদ ও কেন্দ্রীয় সরকারের। সুইজারল্যান্ডে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘বোর্ড অব পিসে’ স্বাক্ষর করলেও দেশটির সেনা গাজায় মোতায়েনের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সরকার ও পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে ২০টি দেশের সঙ্গে এই শান্তি বোর্ডে স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান। তবে বিরোধী দলগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন এই সংস্থায় যোগ দেওয়ার ফলে দেশের জন্য বিপদ সৃষ্টি হতে পারে। এমন সমালোচনার মধ্যেই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শান্তি বোর্ডে থাকা মানে গাজায় সেনা পাঠানো বা হামাসকে অস্ত্রহীন করার পরিকল্পনায় শরিক হওয়া নয়। ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, তাদের ‘রেড লাইন’ হলো হামাসের বিরুদ্ধে কোনো অভিযানে অংশ না নেওয়া।
গাজায় চলমান সহিংসতা ও হত্যাযজ্ঞ বন্ধে মুসলিম বিশ্বের একতাই মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। তিনি মনে করেন, পরিবর্তনশীল বিশ্ব ব্যবস্থায় সবকিছুকে সন্দেহের চোখে দেখলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। ফিলিস্তিনিদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতেই পাকিস্তান এই মঞ্চে উপস্থিত হয়েছে এবং সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নীতি ও জনপ্রতিনিধিদের ওপর ন্যস্ত থাকবে।

