ডনবাস ছাড়তে হবে ইউক্রেনকে: আবুধাবি বৈঠকে কঠোর শর্ত রাশিয়ার
যুদ্ধ বিরতির একমাত্র পথ হিসেবে ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মস্কো এই চূড়ান্ত অবস্থানের কথা জানায়। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথমবারের মতো এই তিন দেশ একসাথে শান্তি আলোচনায় বসেছে।
গত শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) শুরু হওয়া এই বৈঠক দুই দিনব্যাপী চলবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে নিজেদের কয়েকটি অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে শান্তি আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে বৈঠকের আগেই দ্বিমত পোষণ করেছিলেন তিনি। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট জানিয়েছেন, দনবাস থেকে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীকে সরে যেতেই হবে এবং এ বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না।

গাজায় যুদ্ধবিরতির ধাঁচে তৈরি এই ২৮ দফা শান্তি পরিকল্পনায় রাশিয়ার বেশ কিছু দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা কিয়েভ ইতিমধ্যেই বহুবার প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রস্তাবনায় ক্রিমিয়া, লুহানস্ক ও দোনেৎস্ককে কার্যত রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর আকার সীমিত করা এবং মস্কোর ওপর থেকে ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিও এতে রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ডনবাস ছাড়তে হবে ইউক্রেনকে: আবুধাবি বৈঠকে কঠোর শর্ত রাশিয়ার
যুদ্ধ বিরতির একমাত্র পথ হিসেবে ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মস্কো এই চূড়ান্ত অবস্থানের কথা জানায়। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথমবারের মতো এই তিন দেশ একসাথে শান্তি আলোচনায় বসেছে।
গত শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) শুরু হওয়া এই বৈঠক দুই দিনব্যাপী চলবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে নিজেদের কয়েকটি অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে শান্তি আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে বৈঠকের আগেই দ্বিমত পোষণ করেছিলেন তিনি। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট জানিয়েছেন, দনবাস থেকে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীকে সরে যেতেই হবে এবং এ বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না।

গাজায় যুদ্ধবিরতির ধাঁচে তৈরি এই ২৮ দফা শান্তি পরিকল্পনায় রাশিয়ার বেশ কিছু দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা কিয়েভ ইতিমধ্যেই বহুবার প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রস্তাবনায় ক্রিমিয়া, লুহানস্ক ও দোনেৎস্ককে কার্যত রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর আকার সীমিত করা এবং মস্কোর ওপর থেকে ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিও এতে রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…