পুতিনের দাবি, গ্রিনল্যান্ডের দাম ১০০ কোটি ডলার
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তিনি মনে করেন, এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডেনমার্কের মধ্যেই বিরোধ মীমাংসা হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে পুতিন ডেনমার্কের ঔপনিবেশিক মনোভাব ও গ্রিনল্যান্ডবাসীর প্রতি তাদের ঐতিহাসিক নিষ্ঠুর আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের উদ্যোগ ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে বড় ধরনের কূটনৈতিক দূরত্ব তৈরি করেছে। যদিও ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন, তবু আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার নিজস্ব স্বার্থ থাকায় মস্কো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মন্তব্য করেছেন যে, সম্পদশালী এই দ্বীপটি ডেনমার্কের কোনো স্বাভাবিক অংশ নয়।

পুতিন ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে ১৮৬৭ সালে আলাস্কা এবং ১৯১৭ সালে ভার্জিন আইল্যান্ডসের লেনদেনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। বর্তমান সময়ের মুদ্রাস্ফীতি এবং গ্রিনল্যান্ডের বিশাল আয়তন বিবেচনায় নিয়ে তিনি অনুমান করেছেন, এই দ্বীপটির সম্ভাব্য দাম প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই টাকা খরচ করার সামর্থ্য ওয়াশিংটনের আছে এবং তারা নিজেদের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করে ফেলবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
পুতিনের দাবি, গ্রিনল্যান্ডের দাম ১০০ কোটি ডলার
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তিনি মনে করেন, এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডেনমার্কের মধ্যেই বিরোধ মীমাংসা হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে পুতিন ডেনমার্কের ঔপনিবেশিক মনোভাব ও গ্রিনল্যান্ডবাসীর প্রতি তাদের ঐতিহাসিক নিষ্ঠুর আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের উদ্যোগ ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে বড় ধরনের কূটনৈতিক দূরত্ব তৈরি করেছে। যদিও ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন, তবু আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার নিজস্ব স্বার্থ থাকায় মস্কো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মন্তব্য করেছেন যে, সম্পদশালী এই দ্বীপটি ডেনমার্কের কোনো স্বাভাবিক অংশ নয়।

পুতিন ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে ১৮৬৭ সালে আলাস্কা এবং ১৯১৭ সালে ভার্জিন আইল্যান্ডসের লেনদেনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। বর্তমান সময়ের মুদ্রাস্ফীতি এবং গ্রিনল্যান্ডের বিশাল আয়তন বিবেচনায় নিয়ে তিনি অনুমান করেছেন, এই দ্বীপটির সম্ভাব্য দাম প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই টাকা খরচ করার সামর্থ্য ওয়াশিংটনের আছে এবং তারা নিজেদের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করে ফেলবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…