যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাদানুবাদ, কানাডার জবাবে ট্রাম্পের পাল্টা পদক্ষেপ
উত্তর আমেরিকার দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাকযুদ্ধ নতুন মাত্রা নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প কানাডাকে নিজের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ থেকে আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সৌজন্যেই কানাডার অস্তিত্ব। এর জবাবে কুইবেক সিটিতে আইনসভার অধিবেশনের পূর্বে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় কার্নি স্পষ্ট জানান, তারা আমেরিকার ভরসায় নয়, বরং নিজেদের পরিচয়ের কারণেই টিকে আছে। তিনি বলেন, কানাডার উন্নতির পেছনের কারণ হলো তারা কানাডিয়ান। তবে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক অংশীদারত্বকে তিনি গুরুত্বের সাথেই দেখেছেন।

এর পরপরই বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে কানাডার আমন্ত্রণ বাতিল করেন। এই ঘটনাপ্রবাহ দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কূটনৈতিক উত্তেজনাকে আরও প্রকট করে তুলেছে। এদিকে, দাভোসে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ব্যবস্থায় ফাটল দেখার বিষয়ে কার্নির বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাদানুবাদ, কানাডার জবাবে ট্রাম্পের পাল্টা পদক্ষেপ
উত্তর আমেরিকার দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাকযুদ্ধ নতুন মাত্রা নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সোজাসাপ্টা জবাব দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প কানাডাকে নিজের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ থেকে আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সৌজন্যেই কানাডার অস্তিত্ব। এর জবাবে কুইবেক সিটিতে আইনসভার অধিবেশনের পূর্বে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় কার্নি স্পষ্ট জানান, তারা আমেরিকার ভরসায় নয়, বরং নিজেদের পরিচয়ের কারণেই টিকে আছে। তিনি বলেন, কানাডার উন্নতির পেছনের কারণ হলো তারা কানাডিয়ান। তবে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক অংশীদারত্বকে তিনি গুরুত্বের সাথেই দেখেছেন।

এর পরপরই বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে কানাডার আমন্ত্রণ বাতিল করেন। এই ঘটনাপ্রবাহ দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কূটনৈতিক উত্তেজনাকে আরও প্রকট করে তুলেছে। এদিকে, দাভোসে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ব্যবস্থায় ফাটল দেখার বিষয়ে কার্নির বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…