ইরানকে সতর্ক করতে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবহর
বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ এবং পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরুজ্জীবনের প্রতিবাদে ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ বহর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তেহরান যদি তাদের ভুল সংশোধন না করে, তবে ওয়াশিংটন কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। তবে তিনি এও আশা প্রকাশ করেছেন যে, সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন পড়বে না।
সুইজারল্যান্ডের দাভোস থেকে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, মার্কিন যুদ্ধবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বেনামী মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও কয়েকটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। ওই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনাধীন রয়েছে।

এই সামরিক মোতায়েনের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে কূটনৈতিক ও সামরিক—উভয় দিকই খোলা থাকছে। একদিকে যেমন মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় প্রয়োজনে হামলার সক্ষমতাও বাড়বে। ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত সপ্তাহেই এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে এই জাহাজগুলোর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানকে সতর্ক করতে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবহর
বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ এবং পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরুজ্জীবনের প্রতিবাদে ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ বহর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তেহরান যদি তাদের ভুল সংশোধন না করে, তবে ওয়াশিংটন কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। তবে তিনি এও আশা প্রকাশ করেছেন যে, সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন পড়বে না।
সুইজারল্যান্ডের দাভোস থেকে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, মার্কিন যুদ্ধবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বেনামী মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও কয়েকটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। ওই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনাধীন রয়েছে।

এই সামরিক মোতায়েনের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে কূটনৈতিক ও সামরিক—উভয় দিকই খোলা থাকছে। একদিকে যেমন মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় প্রয়োজনে হামলার সক্ষমতাও বাড়বে। ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত সপ্তাহেই এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে এই জাহাজগুলোর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…