গাজা শান্তিতে ট্রাম্পের নতুন বোর্ড, সতর্ক বিশ্ব শক্তি
গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে জাতিসংঘকে এড়িয়ে ‘বোর্ড অব পিস’ নামে নতুন একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই বোর্ডের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ট্রাম্প নিজেই এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো না গেলেও এই বোর্ড বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনে প্রায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ যেমন তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরব, কাতার এবং ইন্দোনেশিয়া এই বোর্ডে যোগ দিলেও পশ্চিমার বড় শক্তিগুলো এখনো দূরত্ব বজায় রেখেছে। ফ্রান্স যোগদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, ব্রিটেন সময় নিচ্ছে এবং চীন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। এই বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের এক বিলিয়ন ডলার করে তহবিলে দিতে হবে। রাশিয়া এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে এবং জব্দ করা রুশ সম্পদ থেকে অর্থ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জ্যারেড কুশনার এবং টনি ব্লেয়ার এই ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গাজার শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া এবং হামাসকে নিরস্ত্র করা। জ্যারেড কুশনার মনে করেন, হামাস নিরস্ত্রীকরণ না হলে শান্তি পরিকল্পনা সফল হবে না। এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তবে জাতিসংঘের ভূমিকা ক্ষুণ্ণ করে এই বোর্ড প্রতিষ্ঠা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজা শান্তিতে ট্রাম্পের নতুন বোর্ড, সতর্ক বিশ্ব শক্তি
গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে জাতিসংঘকে এড়িয়ে ‘বোর্ড অব পিস’ নামে নতুন একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এই বোর্ডের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ট্রাম্প নিজেই এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো না গেলেও এই বোর্ড বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনে প্রায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ যেমন তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরব, কাতার এবং ইন্দোনেশিয়া এই বোর্ডে যোগ দিলেও পশ্চিমার বড় শক্তিগুলো এখনো দূরত্ব বজায় রেখেছে। ফ্রান্স যোগদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, ব্রিটেন সময় নিচ্ছে এবং চীন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। এই বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের এক বিলিয়ন ডলার করে তহবিলে দিতে হবে। রাশিয়া এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে এবং জব্দ করা রুশ সম্পদ থেকে অর্থ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জ্যারেড কুশনার এবং টনি ব্লেয়ার এই ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গাজার শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া এবং হামাসকে নিরস্ত্র করা। জ্যারেড কুশনার মনে করেন, হামাস নিরস্ত্রীকরণ না হলে শান্তি পরিকল্পনা সফল হবে না। এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তবে জাতিসংঘের ভূমিকা ক্ষুণ্ণ করে এই বোর্ড প্রতিষ্ঠা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…