গাজা শান্তিতে ট্রাম্পের নতুন বোর্ড, জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে সংশয়
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলেও জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে এটি কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করেছে। ট্রাম্প নিজেই এই বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্থায়ী সদস্যদের এক বিলিয়ন ডলার করে অনুদান দিতে হবে। ইতোমধ্যে তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরের মতো দেশ এতে সম্মতি জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, প্রাথমিকভাবে গাজার শান্তি প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য। অন্যদিকে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার জানিয়েছেন, হামাসকে নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজার পুনর্গঠন সম্ভব নয়। এছাড়া সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও এই বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ফ্রান্স এই প্রস্তাবে অংশ নিতে অস্বীকার করেছে এবং ব্রিটেন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জাতিসংঘের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জন্য এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই বোর্ডে যোগদানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। এদিকে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে কিছুটা অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কমিটির প্রধান আলি শাআথ। তিনি বলেছেন, আগামী সপ্তাহে মিসরের সাথে রাফাহ সীমান্ত খোলা হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজা শান্তিতে ট্রাম্পের নতুন বোর্ড, জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে সংশয়
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলেও জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে এটি কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করেছে। ট্রাম্প নিজেই এই বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্থায়ী সদস্যদের এক বিলিয়ন ডলার করে অনুদান দিতে হবে। ইতোমধ্যে তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরের মতো দেশ এতে সম্মতি জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, প্রাথমিকভাবে গাজার শান্তি প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য। অন্যদিকে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার জানিয়েছেন, হামাসকে নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজার পুনর্গঠন সম্ভব নয়। এছাড়া সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও এই বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ফ্রান্স এই প্রস্তাবে অংশ নিতে অস্বীকার করেছে এবং ব্রিটেন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জাতিসংঘের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জন্য এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই বোর্ডে যোগদানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। এদিকে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে কিছুটা অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কমিটির প্রধান আলি শাআথ। তিনি বলেছেন, আগামী সপ্তাহে মিসরের সাথে রাফাহ সীমান্ত খোলা হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…