গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পুতিনের বড় বয়ান, ডেনমার্কের ইতিহাস তুলে ধরলেন
মস্কোর নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার হাতে থাকবে তা নিয়ে তার দেশের কোনো মাথাব্যথা নেই। তিনি বলেছেন, এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যকার বিষয় এবং তাদের এটি নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নেওয়া উচিত। এই ইস্যুতে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেননি তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাভোসে শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এসেছেন এবং বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের এমন উদ্যোগ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভাজন তৈরি করছে, যা রাশিয়ার জন্য স্বস্তির বিষয়। অন্যদিকে, পুতিন ডেনমার্কের প্রতি তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডকে উপনিবেশ হিসেবে দেখার কারণে ডেনিশদের আচরণ ছিল কঠোর ও নিষ্ঠুর। তিনি এই দ্বীপের আনুমানিক মূল্যও ১০০ কোটি ডলারের ঘরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলন বা মালিকানা নিয়ে রাশিয়ার বিশেষ আগ্রহ না থাকলেও আর্কটিক অঞ্চলে তাদের স্বার্থ রয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল দখল করতে যুদ্ধ করা রাশিয়া ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কারণে ডেনমার্কের ওপর ক্ষুব্ধ। তবে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মস্কো এই বিরোধে হস্তক্ষেপ করতে আগ্রহী নয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পুতিনের বড় বয়ান, ডেনমার্কের ইতিহাস তুলে ধরলেন
মস্কোর নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার হাতে থাকবে তা নিয়ে তার দেশের কোনো মাথাব্যথা নেই। তিনি বলেছেন, এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যকার বিষয় এবং তাদের এটি নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নেওয়া উচিত। এই ইস্যুতে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেননি তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাভোসে শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এসেছেন এবং বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের এমন উদ্যোগ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভাজন তৈরি করছে, যা রাশিয়ার জন্য স্বস্তির বিষয়। অন্যদিকে, পুতিন ডেনমার্কের প্রতি তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডকে উপনিবেশ হিসেবে দেখার কারণে ডেনিশদের আচরণ ছিল কঠোর ও নিষ্ঠুর। তিনি এই দ্বীপের আনুমানিক মূল্যও ১০০ কোটি ডলারের ঘরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলন বা মালিকানা নিয়ে রাশিয়ার বিশেষ আগ্রহ না থাকলেও আর্কটিক অঞ্চলে তাদের স্বার্থ রয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল দখল করতে যুদ্ধ করা রাশিয়া ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কারণে ডেনমার্কের ওপর ক্ষুব্ধ। তবে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মস্কো এই বিরোধে হস্তক্ষেপ করতে আগ্রহী নয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…