শিনজো আবে হত্যা: খুনি তেতসুয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
জাপানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০২২ সালে নারা শহরে এক জনসভার সময় সাবেক এই নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার সাড়ে তিন বছর পর বুধবার (২১ জানুয়ারি) এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হয়।
বিচারকাজের শুরুতেই ৪৫ বছর বয়সী ইয়ামাগামি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছিলেন। তার আইনজীবীরা দাবি করেন, পারিবারিক আর্থিক সংকট ও মায়ের ইউনিফিকেশন চার্চের প্রতি অন্ধ ভক্তির কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ওই গির্জার সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় ক্ষোভে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান ইয়ামাগামি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, এই হত্যাকাণ্ড সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এবং এর জন্য কঠোরতম শাস্তি প্রয়োজন।

রায় ঘোষণার দিন নারা জেলা আদালত চত্বরে প্রায় সাতশ’ মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। জনসমক্ষে ভাষণের সময় এক জনপ্রিয় নেতার এমন মর্মান্তিক মৃত্যু জাপানে ইউনিফিকেশন চার্চ ও তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। অনেকে ইয়ামাগামিকে নিষ্ঠুর খুনি হিসেবে চিহ্নিত করলেও, তার জীবনের ট্র্যাজেডির কারণে একাংশের মাঝে তার প্রতি সহমর্মিতাও দেখা গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
শিনজো আবে হত্যা: খুনি তেতসুয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
জাপানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০২২ সালে নারা শহরে এক জনসভার সময় সাবেক এই নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার সাড়ে তিন বছর পর বুধবার (২১ জানুয়ারি) এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হয়।
বিচারকাজের শুরুতেই ৪৫ বছর বয়সী ইয়ামাগামি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছিলেন। তার আইনজীবীরা দাবি করেন, পারিবারিক আর্থিক সংকট ও মায়ের ইউনিফিকেশন চার্চের প্রতি অন্ধ ভক্তির কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ওই গির্জার সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় ক্ষোভে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান ইয়ামাগামি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, এই হত্যাকাণ্ড সমাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এবং এর জন্য কঠোরতম শাস্তি প্রয়োজন।

রায় ঘোষণার দিন নারা জেলা আদালত চত্বরে প্রায় সাতশ’ মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। জনসমক্ষে ভাষণের সময় এক জনপ্রিয় নেতার এমন মর্মান্তিক মৃত্যু জাপানে ইউনিফিকেশন চার্চ ও তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। অনেকে ইয়ামাগামিকে নিষ্ঠুর খুনি হিসেবে চিহ্নিত করলেও, তার জীবনের ট্র্যাজেডির কারণে একাংশের মাঝে তার প্রতি সহমর্মিতাও দেখা গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…