গাজা সমন্বয় কেন্দ্রে কর্মী পাঠাতে অনীহা ইউরোপের
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সাহায্য প্রবাহ বাড়াতে এবং রাজনৈতিক সমাধানে ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায়, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সমন্বয় কেন্দ্রে কর্মী পাঠানো স্থগিত করার চিন্তা করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। এই কেন্দ্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশ তাদের কর্মীদের ছুটি শেষে ফেরত না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, সাহায্য প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে গত অক্টোবরে দক্ষিণ ইসরায়েলে এই বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র (সিএমসিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সামরিক পরিকল্পনাকারী ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এখানে নিয়োগ দিয়েছিল। তবে বড়দিন ও নববর্ষের ছুটির পর অনেক ইউরোপীয় কর্মকর্তাই কেন্দ্রটিতে যোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। একজন পশ্চিমা কূটনীতিক এই পরিস্থিতিকে ‘ডিরেকশনলেস’ বা দিকনির্দেশনাহীন বলে অভিহিত করেছেন।

গাজা, গ্রিনল্যান্ড ও ভেনেজুয়েলা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক নীতির কারণে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। যদিও অনেকে বলছেন, এই কেন্দ্রটি একটি বিপর্যয় হলেও এর কোনো বিকল্প নেই। একজন মার্কিন জেনারেলের নেতৃত্বাধীন এই কেন্দ্রে বর্তমানে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক কর্মীরা কাজ করছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজা সমন্বয় কেন্দ্রে কর্মী পাঠাতে অনীহা ইউরোপের
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সাহায্য প্রবাহ বাড়াতে এবং রাজনৈতিক সমাধানে ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায়, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সমন্বয় কেন্দ্রে কর্মী পাঠানো স্থগিত করার চিন্তা করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। এই কেন্দ্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশ তাদের কর্মীদের ছুটি শেষে ফেরত না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, সাহায্য প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে গত অক্টোবরে দক্ষিণ ইসরায়েলে এই বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র (সিএমসিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সামরিক পরিকল্পনাকারী ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এখানে নিয়োগ দিয়েছিল। তবে বড়দিন ও নববর্ষের ছুটির পর অনেক ইউরোপীয় কর্মকর্তাই কেন্দ্রটিতে যোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। একজন পশ্চিমা কূটনীতিক এই পরিস্থিতিকে ‘ডিরেকশনলেস’ বা দিকনির্দেশনাহীন বলে অভিহিত করেছেন।

গাজা, গ্রিনল্যান্ড ও ভেনেজুয়েলা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক নীতির কারণে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। যদিও অনেকে বলছেন, এই কেন্দ্রটি একটি বিপর্যয় হলেও এর কোনো বিকল্প নেই। একজন মার্কিন জেনারেলের নেতৃত্বাধীন এই কেন্দ্রে বর্তমানে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক কর্মীরা কাজ করছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…