গাজায় শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ ঘোষণা
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা পুনর্গঠন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্বের ৬০টি দেশের রাষ্ট্র প্রধানকে ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘের বাইরে একটি আলাদা শান্তি কাঠামো গড়ে তোলার অংশ হিসেবে গত ২০২৫ সালের অক্টোবরে এই উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে গঠিত এই সংস্থাটি ২০২৫ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন লাভ করেছে। ট্রাম্প এই পরিষদের আজীবন চেয়ারম্যান হবেন এবং সদস্যপদের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। তবে ১ বিলিয়ন ডলার তহবিল দিলে কোনো দেশ স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করতে পারবে। এই বোর্ডে মার্কো রুবিও, টনি ব্লেয়ার, জ্যারেড কুশনার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মতো ব্যক্তিদের নির্বাহী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েল সরাসরি এর বিরোধিতা করছে এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো এতে অংশ নিতে অস্বীকার করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ট্রাম্প।

বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের ভূমিকা দুর্বল করতেই এই সংস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা অনেকে ‘ট্রাম্প ইউনাইটেড নেশনস’ বলেও অভিহিত করছেন। গাজা সংঘাতের বাইরে এর কার্যক্রম প্রসারিত হতে পারে—এমন আশঙ্কায় ইউরোপীয় দেশগুলো উদ্বিগ্ন। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রশাসনিক খরচ কমিয়ে এই বোর্ড অত্যন্ত দ্রুত কাজ করবে এবং এটি হবে একেবারেই অনন্য।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজায় শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ ঘোষণা
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা পুনর্গঠন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্বের ৬০টি দেশের রাষ্ট্র প্রধানকে ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘের বাইরে একটি আলাদা শান্তি কাঠামো গড়ে তোলার অংশ হিসেবে গত ২০২৫ সালের অক্টোবরে এই উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে গঠিত এই সংস্থাটি ২০২৫ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন লাভ করেছে। ট্রাম্প এই পরিষদের আজীবন চেয়ারম্যান হবেন এবং সদস্যপদের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। তবে ১ বিলিয়ন ডলার তহবিল দিলে কোনো দেশ স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করতে পারবে। এই বোর্ডে মার্কো রুবিও, টনি ব্লেয়ার, জ্যারেড কুশনার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মতো ব্যক্তিদের নির্বাহী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েল সরাসরি এর বিরোধিতা করছে এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো এতে অংশ নিতে অস্বীকার করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ট্রাম্প।

বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের ভূমিকা দুর্বল করতেই এই সংস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা অনেকে ‘ট্রাম্প ইউনাইটেড নেশনস’ বলেও অভিহিত করছেন। গাজা সংঘাতের বাইরে এর কার্যক্রম প্রসারিত হতে পারে—এমন আশঙ্কায় ইউরোপীয় দেশগুলো উদ্বিগ্ন। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রশাসনিক খরচ কমিয়ে এই বোর্ড অত্যন্ত দ্রুত কাজ করবে এবং এটি হবে একেবারেই অনন্য।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…