গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান, জবাবে সেনা ডেনমার্কের
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের হুঁশিয়ারির মধ্যেই কূটনৈতিক পালা বদলে এবার সামরিক পদক্ষেপ নিল যুক্তরাষ্ট্র। ডেনমার্কের ওপর চাপ বাড়াতে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জেরেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ডেনমার্ক।
নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড বা নোরাড জানিয়েছে, এটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত একটি প্রতিরক্ষা কর্মসূচির অংশ এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধ বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন ও কোপেনহেগেনের মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই মহড়া চালানো হচ্ছে। অপরদিকে, ট্রাম্পের এই মনোভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ড্যানিশ রয়্যাল আর্মি প্রধান পিটার বয়েসেনের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক সেনা কানগারলুসুয়াকে অবস্থান নেয়।

এই ঘটনাপ্রবাহ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে স্থাপিত পুরনো প্রতিরক্ষা সম্পর্ক থাকলেও, ট্রাম্পের আগ্রাসনমূলক মন্তব্যের পর থেকেই সামরিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান, জবাবে সেনা ডেনমার্কের
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের হুঁশিয়ারির মধ্যেই কূটনৈতিক পালা বদলে এবার সামরিক পদক্ষেপ নিল যুক্তরাষ্ট্র। ডেনমার্কের ওপর চাপ বাড়াতে গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জেরেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ডেনমার্ক।
নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড বা নোরাড জানিয়েছে, এটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত একটি প্রতিরক্ষা কর্মসূচির অংশ এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধ বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন ও কোপেনহেগেনের মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই মহড়া চালানো হচ্ছে। অপরদিকে, ট্রাম্পের এই মনোভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ড্যানিশ রয়্যাল আর্মি প্রধান পিটার বয়েসেনের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক সেনা কানগারলুসুয়াকে অবস্থান নেয়।

এই ঘটনাপ্রবাহ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে স্থাপিত পুরনো প্রতিরক্ষা সম্পর্ক থাকলেও, ট্রাম্পের আগ্রাসনমূলক মন্তব্যের পর থেকেই সামরিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…