ভিক্ষার আড়ালে সুদের ব্যবসা, তিন বাড়ির মালিক ধরা পড়লেন
ভারতের মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে এমন এক ‘কোটিপতি’ ভিক্ষুকের সন্ধান মিলেছে, যার রয়েছে তিনটি বাড়ি, গাড়ি এবং অটোরিকশা। ওই ব্যক্তির নাম মঙ্গলিলাল, যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসেবে লোহার ঠেলাগাড়িতে করে সারাফা বাজারে ভিক্ষা করতেন। গত শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের নোডাল কর্মকর্তা দীনেশ মিশ্র অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। অভিযানের পর তার বিপুল সম্পদের হদিস মেলে, যা সবাইকে চমকে দেয়।
জিজ্ঞাসাবাদে মঙ্গলিলাল জানান, তিনি প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রুপি ভিক্ষা করতেন। তবে তার প্রকৃত আয়ের উৎস ছিল সুদের ব্যবসা। ভিক্ষা থেকে জমানো এই টাকা তিনি সারাফা এলাকার ব্যবসায়ীদের স্বল্পমেয়াদি ঋণ হিসেবে দিতেন এবং প্রতিদিন নিজেই গিয়ে সুদ আদায় করতেন। কর্মকর্তাদের ধারণা, বর্তমানে তার বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ রুপি এবং সুদসহ তার দৈনিক আয় এক হাজার থেকে দুই হাজার রুপি।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তার মালিকানায় একটি তিনতলা ভবনসহ মোট তিনটি বাড়ি, তিনটি অটোরিকশা ও একটি মারুতি সুজুকি ডিজায়ার গাড়ি রয়েছে। এই গাড়ি ও অটোরিকশাগুলো ভাড়ায় চালানো হয়। এছাড়া প্রতিবন্ধী কোটায় তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সরকারি বাসস্থানও লাভ করেছেন। মানুষের সহানুভূতি নিজের পকেট ভরার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন মঙ্গলিলাল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ভিক্ষার আড়ালে সুদের ব্যবসা, তিন বাড়ির মালিক ধরা পড়লেন
ভারতের মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে এমন এক ‘কোটিপতি’ ভিক্ষুকের সন্ধান মিলেছে, যার রয়েছে তিনটি বাড়ি, গাড়ি এবং অটোরিকশা। ওই ব্যক্তির নাম মঙ্গলিলাল, যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসেবে লোহার ঠেলাগাড়িতে করে সারাফা বাজারে ভিক্ষা করতেন। গত শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের নোডাল কর্মকর্তা দীনেশ মিশ্র অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। অভিযানের পর তার বিপুল সম্পদের হদিস মেলে, যা সবাইকে চমকে দেয়।
জিজ্ঞাসাবাদে মঙ্গলিলাল জানান, তিনি প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রুপি ভিক্ষা করতেন। তবে তার প্রকৃত আয়ের উৎস ছিল সুদের ব্যবসা। ভিক্ষা থেকে জমানো এই টাকা তিনি সারাফা এলাকার ব্যবসায়ীদের স্বল্পমেয়াদি ঋণ হিসেবে দিতেন এবং প্রতিদিন নিজেই গিয়ে সুদ আদায় করতেন। কর্মকর্তাদের ধারণা, বর্তমানে তার বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ রুপি এবং সুদসহ তার দৈনিক আয় এক হাজার থেকে দুই হাজার রুপি।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তার মালিকানায় একটি তিনতলা ভবনসহ মোট তিনটি বাড়ি, তিনটি অটোরিকশা ও একটি মারুতি সুজুকি ডিজায়ার গাড়ি রয়েছে। এই গাড়ি ও অটোরিকশাগুলো ভাড়ায় চালানো হয়। এছাড়া প্রতিবন্ধী কোটায় তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সরকারি বাসস্থানও লাভ করেছেন। মানুষের সহানুভূতি নিজের পকেট ভরার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন মঙ্গলিলাল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…