গাজার নিরাপত্তায় তুরস্ক-কাতার সেনাদের ঠাঁই দেবে না ইসরাইল
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনার মধ্যে তুরস্ক ও কাতারের অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত সোমবার ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া এক ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে এই দুই দেশের কোনো সামরিক উপস্থিতি ইসরায়েল মেনে নেবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে। এর অংশ হিসেবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে, যাদের দায়িত্ব হবে সেখানকার সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং হামাসের পরিবর্তে কাজ করার জন্য একটি নতুন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা। নেতানিয়াহু জানান, এই দ্বিতীয় ধাপের মূল লক্ষ্যই হলো হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকা থেকে সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা দূর করা। এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ট্রাম্প মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

এখন পর্যন্ত গাজায় কোন কোন দেশের সেনা মোতায়েন করা হবে, তা চূড়ান্ত হয়নি। তবে ইসরায়েলের এই কঠোর অবস্থানের কারণে আঞ্চলিক শক্তিধর দেশ তুরস্ক ও কাতারকে এই মিশনের বাইরে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই বাহিনীর মাধ্যমে গাজায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজার নিরাপত্তায় তুরস্ক-কাতার সেনাদের ঠাঁই দেবে না ইসরাইল
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনার মধ্যে তুরস্ক ও কাতারের অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত সোমবার ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া এক ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে এই দুই দেশের কোনো সামরিক উপস্থিতি ইসরায়েল মেনে নেবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে। এর অংশ হিসেবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে, যাদের দায়িত্ব হবে সেখানকার সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং হামাসের পরিবর্তে কাজ করার জন্য একটি নতুন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা। নেতানিয়াহু জানান, এই দ্বিতীয় ধাপের মূল লক্ষ্যই হলো হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকা থেকে সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা দূর করা। এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ট্রাম্প মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

এখন পর্যন্ত গাজায় কোন কোন দেশের সেনা মোতায়েন করা হবে, তা চূড়ান্ত হয়নি। তবে ইসরায়েলের এই কঠোর অবস্থানের কারণে আঞ্চলিক শক্তিধর দেশ তুরস্ক ও কাতারকে এই মিশনের বাইরে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই বাহিনীর মাধ্যমে গাজায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…