ইরানে বিক্ষোভকারীদের আত্মসমর্পণে তিন দিনের আল্টিমেটাম
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আত্মসমর্পণের জন্য তিন দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে দেশটির প্রশাসন। ইরানের পুলিশ প্রধান আহমাদ-রেজা রাদান জানিয়েছেন, যারা বিভ্রান্ত হয়ে এই অস্থিরতায় জড়িয়ে পড়েছিলেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করলে শাস্তির ব্যাপারে তাদের প্রতি নমনীয়তা দেখানো হবে।
গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে অর্থনৈতিক সংকটের জের ধরে শুরু হওয়া এই আন্দোলনটি দ্রুতই বড় আকার ধারণ করে, যা দেশটির নেতৃত্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। তেহরানের দাবি, শুরুতে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা দাঙ্গায় পরিণত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো শত্রুপক্ষ এতে উসকানি দিয়েছে। সহিংসতায় অন্তত ৫ হাজার মানুষ নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে সরকারি কর্মকর্তারা। এছাড়া গ্রেফতারের সংখ্যা নিয়ে সরকারি হিসাব ৩ হাজার হলেও, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে এই সংখ্যা ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

পুলিশ প্রধান বলেছেন, অজান্তে দাঙ্গায় শামিল হওয়া তরুণরা শত্রুপক্ষ নয়, তারা প্রতারণার শিকার। ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আওতায় তাদের প্রতি সহনশীল আচরণ করা হবে। এর আগে শনিবার সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ফিতনাবাজদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কঠোর দমনপীড়নের ফলে বর্তমানে বিক্ষোভের তীব্রতা অনেকটাই কমে এসেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানে বিক্ষোভকারীদের আত্মসমর্পণে তিন দিনের আল্টিমেটাম
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আত্মসমর্পণের জন্য তিন দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে দেশটির প্রশাসন। ইরানের পুলিশ প্রধান আহমাদ-রেজা রাদান জানিয়েছেন, যারা বিভ্রান্ত হয়ে এই অস্থিরতায় জড়িয়ে পড়েছিলেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করলে শাস্তির ব্যাপারে তাদের প্রতি নমনীয়তা দেখানো হবে।
গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে অর্থনৈতিক সংকটের জের ধরে শুরু হওয়া এই আন্দোলনটি দ্রুতই বড় আকার ধারণ করে, যা দেশটির নেতৃত্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। তেহরানের দাবি, শুরুতে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা দাঙ্গায় পরিণত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো শত্রুপক্ষ এতে উসকানি দিয়েছে। সহিংসতায় অন্তত ৫ হাজার মানুষ নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে সরকারি কর্মকর্তারা। এছাড়া গ্রেফতারের সংখ্যা নিয়ে সরকারি হিসাব ৩ হাজার হলেও, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে এই সংখ্যা ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

পুলিশ প্রধান বলেছেন, অজান্তে দাঙ্গায় শামিল হওয়া তরুণরা শত্রুপক্ষ নয়, তারা প্রতারণার শিকার। ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আওতায় তাদের প্রতি সহনশীল আচরণ করা হবে। এর আগে শনিবার সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ফিতনাবাজদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কঠোর দমনপীড়নের ফলে বর্তমানে বিক্ষোভের তীব্রতা অনেকটাই কমে এসেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…