কাশ্মীরে মসজিদ-মাদরাসায় তথ্য সংগ্রহ, বৈষম্যের অভিযোগ
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে মসজিদ ও মাদরাসা সংশ্লিষ্টদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে পুলিশ। ‘মসজিদ প্রোফাইলিং’ শিরোনামের চার পৃষ্ঠার একটি ফরমের মাধ্যমে মসজিদের আর্থিক ও প্রশাসনিক তথ্যের পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ব্যক্তিগত নথিপত্র চাওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ওই ফরমে মসজিদের অর্থের উৎস, মাসিক খরচ, জমির মালিকানা এবং মুসল্লিদের ধারণক্ষমতার পাশাপাশি ইমাম ও খতিবদের পাসপোর্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডেল পর্যন্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এমনকি বিদেশে থাকা আত্মীয়দের বিষয়ও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। শ্রীনগরের বাসিন্দা মোহাম্মদ নওয়াজ খান বলেছেন, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এত বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ পরিবারগুলোর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় জোট মুত্তাহিদা মজলিস-ই-উলামা (এমএমইউ) উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, উপাসনালয়ে এমন হস্তক্ষেপ মুসলিম সমাজে ভীতি সৃষ্টি করছে।

শুধু মসজিদ নয়, মাদরাসাগুলোর কাছেও একই ধরনের ফরম পাঠানো হয়েছে। কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এই পদক্ষেপকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, সরকার কি মন্দির, গুরুদ্বারা বা গির্জার ক্ষেত্রেও একইভাবে তথ্য সংগ্রহ করবে? এমন পদক্ষেপ মসজিদকে অপরাধস্থলে পরিণত করার শামিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
কাশ্মীরে মসজিদ-মাদরাসায় তথ্য সংগ্রহ, বৈষম্যের অভিযোগ
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি বাড়াতে মসজিদ ও মাদরাসা সংশ্লিষ্টদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে পুলিশ। ‘মসজিদ প্রোফাইলিং’ শিরোনামের চার পৃষ্ঠার একটি ফরমের মাধ্যমে মসজিদের আর্থিক ও প্রশাসনিক তথ্যের পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ব্যক্তিগত নথিপত্র চাওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ওই ফরমে মসজিদের অর্থের উৎস, মাসিক খরচ, জমির মালিকানা এবং মুসল্লিদের ধারণক্ষমতার পাশাপাশি ইমাম ও খতিবদের পাসপোর্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডেল পর্যন্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এমনকি বিদেশে থাকা আত্মীয়দের বিষয়ও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। শ্রীনগরের বাসিন্দা মোহাম্মদ নওয়াজ খান বলেছেন, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এত বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ পরিবারগুলোর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় জোট মুত্তাহিদা মজলিস-ই-উলামা (এমএমইউ) উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, উপাসনালয়ে এমন হস্তক্ষেপ মুসলিম সমাজে ভীতি সৃষ্টি করছে।

শুধু মসজিদ নয়, মাদরাসাগুলোর কাছেও একই ধরনের ফরম পাঠানো হয়েছে। কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এই পদক্ষেপকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, সরকার কি মন্দির, গুরুদ্বারা বা গির্জার ক্ষেত্রেও একইভাবে তথ্য সংগ্রহ করবে? এমন পদক্ষেপ মসজিদকে অপরাধস্থলে পরিণত করার শামিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…