কারাগারে দাঙ্গা ও পুলিশ হত্যায় গুয়াতেমালায় ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা
কারাগারে বন্দিদের দাঙ্গা এবং রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় গুয়াতেমালায় ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বার্নার্দো আরেভালো। সপ্তাহান্তে সংঘটিত এই সহিংসতায় গুয়াতেমালা সিটিতে অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর তিনটি কারাগারে দাঙ্গা শুরু হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাং নেতাদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সীমিত করার পরই বারিও ১৮ গ্যাংয়ের শীর্ষ নেতা আলদো ডুপ্পি ওরফে ‘এল লোবো’ ও তার সহযোগীরা ৪৬ জন কারা কর্মকর্তাকে জিম্মি করে। পরবর্তীতে রোববার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে কারাগারগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা হয় এবং সব জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।

জরুরি অবস্থার আওতায় নাগরিক অধিকারে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রেসিডেন্ট আরেভালো বলেন, গ্যাংদের এই হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, যাতে তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। তবে এই চক্রান্ত ব্যর্থ হবে জানিয়ে তিনি নিহতদের স্মরণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
কারাগারে দাঙ্গা ও পুলিশ হত্যায় গুয়াতেমালায় ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা
কারাগারে বন্দিদের দাঙ্গা এবং রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় গুয়াতেমালায় ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বার্নার্দো আরেভালো। সপ্তাহান্তে সংঘটিত এই সহিংসতায় গুয়াতেমালা সিটিতে অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর তিনটি কারাগারে দাঙ্গা শুরু হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাং নেতাদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সীমিত করার পরই বারিও ১৮ গ্যাংয়ের শীর্ষ নেতা আলদো ডুপ্পি ওরফে ‘এল লোবো’ ও তার সহযোগীরা ৪৬ জন কারা কর্মকর্তাকে জিম্মি করে। পরবর্তীতে রোববার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে কারাগারগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা হয় এবং সব জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।

জরুরি অবস্থার আওতায় নাগরিক অধিকারে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পেয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রেসিডেন্ট আরেভালো বলেন, গ্যাংদের এই হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, যাতে তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। তবে এই চক্রান্ত ব্যর্থ হবে জানিয়ে তিনি নিহতদের স্মরণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…