পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ আমখোলা টু গজালিয়া খেয়া ঘাটের বেহাল দশা জনদূর্ভোগ সীমাহীন
গলাচিপা উপজেলার রামনাবাদ নদী পার হয়ে পাঁচটি ইউনিয়নের জনসাধারণের আন্তঃ জেলার সাথে যোগাযোগের একাধিক ব্যাবস্থা থাকলেও, স্বল্প সময়ে পটুয়াখালী জেলা সহ আন্তঃ জেলার সাথে একমাত্র যোগাযোগ আমখোলা টু গজালিয়া ইউনিয়নের ইছাদী খেয়া ঘাটটি দীর্ঘ বছর ধরে ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে আছে। প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা।
গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০২৫ অর্থ বছরে তরিঘরী করে যাত্রী ছাওনি ও যাত্রী সরকারি আমখোলা ঘাটে চুনকাম আর সিমেন্টের স্লাপ গুলো জোরাতালি দিয়ে সংস্কার করার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করলেও গজালিয়া ঘাটের দীর্ঘ বছরে পুরাতন কাঠের তক্তা গুলোর কোন সংস্কার না হওয়ায় জনসাধারণ জনদূর্ভোগ একটুও কমেনি বলে সর্বসাধারণের অভিযোগ।
সারা বছরই বর্ষা ও শুকনো মৌসুমে জীবন ঝুঁকি নিয়েই জরাজীর্ণ ঘাট’টি দিয়ে প্রতিদিন’ই শত শত জনসাধারণ, সরকারি, বে সরকারি চাকুরী জিবীরা মোটর সাইকেল নিয়ে পার হচ্ছেন, অনেক বার মোটরসাইকেল নিয়ে নদীতে পরে গিয়ে মর্মান্তিক দূর্ঘটনাও ঘটেছে একাধিক। এছাড়াও যাত্রী পারপারের একটি মাত্র খেয়া থাকায় মাঝিদের দৌরাত্মে যাত্রী হয়রানি যেন সীমাহীন। মাঝিদের ইচ্ছে মতোই নদী পার হতে গিয়েও হাড়াতে হয়ে মহামূল্যবান সময়। এ বিষয় উদাসীন রয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও শত শত স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পারার সহ গর্ভবতী নারী সহ বিভিন্ন বয়সী জনসাধারণ মুমূর্ষু অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য এই ঝুঁকি পূর্ণ ঘাট’টি যেন মরার উপরে খরার ঘা ”
স্থানীয়রা বলছেন, আমখোলা টু গজালিয়া খেয়া ঘাটি দিয়ে সরকার লাখ লাখ টাকা সরকারি রাজস্ব আয় করে থাকলেও জনসাধারণের নিরাপদ নদী পারাপারের কোন সু-ব্যাবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
লোখ দেখানো চুনকাম রং তালি দিয়েই জনসাধারণের জীবন নিয়ে তারা তামাশা করে আসছে।
স্থানীয় জনসাধারণের দাবী লাখ লাখ টাকা সরকারি রাজস্ব আদায়ের জনগুরুত্বপূর্ণ আমখোলা টু গজালিয়া খেয়া ঘাট’টির দুই পাশের যাত্রী পারাপারের এ্যাপ্রোজ সংযোগ গুলো টেকসই ব্যাবস্থা গ্রহণ করে জনজীবনে স্বস্তি দিবে এননটাই গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রত্যাশা।

