
রোজার চরম কষ্টেও ইফতারের আগে রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ
রোজার তীব্র রোদ আর প্রচণ্ড পিপাসার মধ্যেও দায়িত্বে কোনো আপস করছেন রাজধানীর ট্রাফিক পুলিশরা। গলা শুকিয়ে কুকড়ে যাওয়ার পরও রাস্তা ছাড়ার সুযোগ হয় না তাদের। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কে এম মেহেদী হাসান জানান, রমজানের বিকেলে গাড়ির চাপ এত বেশি থাকে যে ইফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই সময়মতো ইফতার করা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে তাদের জন্য।
রমজানে অফিস শেষে সবাই একযোগে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করায় বিকেল ৩টা থেকেই সড়কে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি চাপ থাকে ইফতারের আগ মুহূর্তে। মেহেদী হাসান বলেন, রাস্তা ফাঁকা হলে তারা খেজুর আর পানি দিয়ে দ্রুত ইফতার সারেন, কিন্তু যানজট থাকলে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের পরেও ইফতার করতে হয় তাদের। মোটা ইউনিফর্ম পরে প্রচণ্ড গরমে দাড়িয়ে থাকা আর রোজার কষ্ট এক হয়ে যায়, তবু দায়িত্বের খাতিরে রাস্তা ছাড়া যায় না।
গুলশান জোনের সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসান সিদ্দিকী বলেন, কষ্ট হলেও তারা সন্তুষ্ট কারণ তাদের এই কষ্টের ফলে শতাধিক গাড়ির যাত্রী নির্দ্বিধায় ঘরে ফিরে পরিবারের সাথে ইফতার করতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, সকাল এবং বিকেলে অফিসের সময় একই হওয়ায় রমজানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবে মানুষের সুবিধার কথা ভেবেই নিজেদের কষ্ট হাসি-মুখে মেনে নেন তারা।
সম্পর্কিত খবর
হাটহাজারীতে তারেক রহমানের জনসভা: কানায় কানায় পূর্ণ মাঠ ও সড়ক
অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে জেট ফুয়েলের দাম বাড়াল বিইআরসি
সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেফতার, আদালতে নেওয়া হচ্ছে
মায়ের অনুরোধে ভিসা সেন্টারে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ চালু
চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, হাটহাজারী-ফটিকছড়িতে উৎসবমুখর আবহ
ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরল রোমে আটকে থাকা বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট

আরও পড়ুন

রোজার চরম কষ্টেও ইফতারের আগে রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ
রোজার তীব্র রোদ আর প্রচণ্ড পিপাসার মধ্যেও দায়িত্বে কোনো আপস করছেন রাজধানীর ট্রাফিক পুলিশরা। গলা শুকিয়ে কুকড়ে যাওয়ার পরও রাস্তা ছাড়ার সুযোগ হয় না তাদের। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কে এম মেহেদী হাসান জানান, রমজানের বিকেলে গাড়ির চাপ এত বেশি থাকে যে ইফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই সময়মতো ইফতার করা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে তাদের জন্য।
রমজানে অফিস শেষে সবাই একযোগে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করায় বিকেল ৩টা থেকেই সড়কে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি চাপ থাকে ইফতারের আগ মুহূর্তে। মেহেদী হাসান বলেন, রাস্তা ফাঁকা হলে তারা খেজুর আর পানি দিয়ে দ্রুত ইফতার সারেন, কিন্তু যানজট থাকলে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের পরেও ইফতার করতে হয় তাদের। মোটা ইউনিফর্ম পরে প্রচণ্ড গরমে দাড়িয়ে থাকা আর রোজার কষ্ট এক হয়ে যায়, তবু দায়িত্বের খাতিরে রাস্তা ছাড়া যায় না।
গুলশান জোনের সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসান সিদ্দিকী বলেন, কষ্ট হলেও তারা সন্তুষ্ট কারণ তাদের এই কষ্টের ফলে শতাধিক গাড়ির যাত্রী নির্দ্বিধায় ঘরে ফিরে পরিবারের সাথে ইফতার করতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, সকাল এবং বিকেলে অফিসের সময় একই হওয়ায় রমজানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবে মানুষের সুবিধার কথা ভেবেই নিজেদের কষ্ট হাসি-মুখে মেনে নেন তারা।
সম্পর্কিত খবর
হাটহাজারীতে তারেক রহমানের জনসভা: কানায় কানায় পূর্ণ মাঠ…
অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে জেট ফুয়েলের দাম বাড়াল…
সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেফতার, আদালতে…
মায়ের অনুরোধে ভিসা সেন্টারে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ চালু
চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, হাটহাজারী-ফটিকছড়িতে উৎসবমুখর আবহ
ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরল রোমে আটকে থাকা বিমান…