
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল
ইরানের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত সামরিক অভিযানের দ্বিতীয় দিনে দেশটির কুখ্যাত বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) সদর দপ্তর ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। আজ সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সেনা কমান্ড ও ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বরাত দিয়ে জানা গেছে, গতকালের ব্যাপক বিমান হামলায় তেহরানের ওই সামরিক ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, গত ৪৭ বছরে হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই অপারেশন চালানো হয়েছে এবং এর ফলে আইআরজিসির মূল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখন আর অস্তিত্বে নেই।
অন্যদিকে, ইসরাইলি বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা ইরানের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কার্যালয়, বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর নিহত হয়েছেন। আইডিএফ আরও জানায়, ইরানের বর্তমান শাসকদের পতন ঘটাতে তারা তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানের সামরিক সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল
ইরানের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত সামরিক অভিযানের দ্বিতীয় দিনে দেশটির কুখ্যাত বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) সদর দপ্তর ধ্বংস করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। আজ সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সেনা কমান্ড ও ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বরাত দিয়ে জানা গেছে, গতকালের ব্যাপক বিমান হামলায় তেহরানের ওই সামরিক ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, গত ৪৭ বছরে হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই অপারেশন চালানো হয়েছে এবং এর ফলে আইআরজিসির মূল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখন আর অস্তিত্বে নেই।
অন্যদিকে, ইসরাইলি বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা ইরানের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কার্যালয়, বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর নিহত হয়েছেন। আইডিএফ আরও জানায়, ইরানের বর্তমান শাসকদের পতন ঘটাতে তারা তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…