
সাবেক আইনমন্ত্রীর ৩ গাড়ি ও ১৭ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মধ্যে তার তিনটি গাড়ি ও ১৭ বিঘা জমি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন। জব্দ করা গাড়িগুলোর বাজার মূল্য প্রায় চার কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং জমির মূল্য এক কোটি ৬৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ১৪৬ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন আনিসুল হক। এছাড়া ২৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ ২১ হাজার ৫৮২ টাকা জমা এবং ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা উত্তোলন করে মানিলন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান থাকায় সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে এই সম্পদগুলো জব্দ করা অপরিহার্য বলে মনে করছেন আদালত। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, এখনই এগুলো জব্দ না করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করে দিতে পারেন, যা রাষ্ট্রের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত করা অসম্ভব করে তুলবে এবং সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হবে।
সম্পর্কিত খবর
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দাকোপে দুটি মডেল মন্দির দাবি এমপি আমীর এজাজের
টেকনিক্যাল মোড়ে বিস্ফোরণ: মোটরসাইকেলে এসে পেটকা ফাটাল দুই দুর্বৃত্ত
রাজধানীতে ফুটপাত দখলের অরাজকতা, সমাধানে পরিকল্পনাহীনতা
পচা খাবারে পোকা-মাকড়, পতেঙ্গার সি বার্ড হোটেলে চার লাখ জরিমানা
বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় নতুন বন্যপ্রাণীর সংযোজন
ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে বিশেষ টাস্কফোর্স

আরও পড়ুন

সাবেক আইনমন্ত্রীর ৩ গাড়ি ও ১৭ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মধ্যে তার তিনটি গাড়ি ও ১৭ বিঘা জমি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন। জব্দ করা গাড়িগুলোর বাজার মূল্য প্রায় চার কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং জমির মূল্য এক কোটি ৬৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ১৪৬ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন আনিসুল হক। এছাড়া ২৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ ২১ হাজার ৫৮২ টাকা জমা এবং ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা উত্তোলন করে মানিলন্ডারিং ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান থাকায় সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে এই সম্পদগুলো জব্দ করা অপরিহার্য বলে মনে করছেন আদালত। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, এখনই এগুলো জব্দ না করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তর করে দিতে পারেন, যা রাষ্ট্রের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত করা অসম্ভব করে তুলবে এবং সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হবে।
সম্পর্কিত খবর
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দাকোপে দুটি মডেল মন্দির দাবি এমপি…
টেকনিক্যাল মোড়ে বিস্ফোরণ: মোটরসাইকেলে এসে পেটকা ফাটাল দুই…
রাজধানীতে ফুটপাত দখলের অরাজকতা, সমাধানে পরিকল্পনাহীনতা
পচা খাবারে পোকা-মাকড়, পতেঙ্গার সি বার্ড হোটেলে চার…
বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় নতুন বন্যপ্রাণীর সংযোজন
ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে বিশেষ…