
রিয়াদে বিস্ফোরণের ধোঁয়া, সৌদি-ইসরায়েলের যৌথ চাপের ফল?

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পূর্বাঞ্চলে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন।
এই ঘটনার পেছনে গভীর কূটনৈতিক কারণ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরব ও ইসরায়েল গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পকে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে হামলার পক্ষে মত দেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।
সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, এখনই হামলা না চালালে ভবিষ্যতে ইরান আরও বেপরোয়া ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। বিশ্লেষকদের মতে, নিজেদের তেলের স্থাপনাগুলো রক্ষা এবং আঞ্চলিক শত্রু ইরানকে দমন করাই সৌদি আরবের এই অবস্থানের মূল কারণ। প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও গোপনে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষেই ছিল রিয়াদ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

রিয়াদে বিস্ফোরণের ধোঁয়া, সৌদি-ইসরায়েলের যৌথ চাপের ফল?

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পূর্বাঞ্চলে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন।
এই ঘটনার পেছনে গভীর কূটনৈতিক কারণ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরব ও ইসরায়েল গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পকে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে হামলার পক্ষে মত দেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।
সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, এখনই হামলা না চালালে ভবিষ্যতে ইরান আরও বেপরোয়া ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। বিশ্লেষকদের মতে, নিজেদের তেলের স্থাপনাগুলো রক্ষা এবং আঞ্চলিক শত্রু ইরানকে দমন করাই সৌদি আরবের এই অবস্থানের মূল কারণ। প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও গোপনে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষেই ছিল রিয়াদ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…