
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা: আতঙ্ক ও আশার দ্বৈরথ

মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র ইরানের ওপর একযোগে বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই হামলার পর দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় মানুষ ছোটাছুটি করছে এবং বিস্ফোরণস্থলের আশপাশে চিৎকার ও কান্নার শব্দ ভেসে আসছে।
হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করছেন। অনেকে এই হামলার বিরোধিতা করে বলেছেন, তারা যেন মৃত্যুর পর কেবল হতাহতদের সংখ্যার একটি পরিসংখ্যানে পরিণত না হন। তবে অন্য একটি শ্রেণি এই হামলাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, এই যুদ্ধের জন্য দায়ী ইসলামি একনায়কতন্ত্র যেন ধ্বংস হয়। তারা বলছেন, ইতিমধ্যে তিনটি যুদ্ধ সহ্য করেছেন তারা।
গত জানুয়ারিতে বেসামরিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছিলেন বহু ইরানি। এরই প্রেক্ষিতে অনেকে এখন বলছেন, সামরিক হস্তক্ষেপ বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে হলেও ইরানে সরকার পরিবর্তন প্রয়োজন। ফলে আকাশে বিমানের গুঞ্জন আর মাটিতে বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন মৃত্যুভয় তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সরকার পতনের আশায় একটি অংশ আনন্দিত হচ্ছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা: আতঙ্ক ও আশার দ্বৈরথ

মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র ইরানের ওপর একযোগে বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই হামলার পর দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় মানুষ ছোটাছুটি করছে এবং বিস্ফোরণস্থলের আশপাশে চিৎকার ও কান্নার শব্দ ভেসে আসছে।
হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করছেন। অনেকে এই হামলার বিরোধিতা করে বলেছেন, তারা যেন মৃত্যুর পর কেবল হতাহতদের সংখ্যার একটি পরিসংখ্যানে পরিণত না হন। তবে অন্য একটি শ্রেণি এই হামলাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, এই যুদ্ধের জন্য দায়ী ইসলামি একনায়কতন্ত্র যেন ধ্বংস হয়। তারা বলছেন, ইতিমধ্যে তিনটি যুদ্ধ সহ্য করেছেন তারা।
গত জানুয়ারিতে বেসামরিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছিলেন বহু ইরানি। এরই প্রেক্ষিতে অনেকে এখন বলছেন, সামরিক হস্তক্ষেপ বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে হলেও ইরানে সরকার পরিবর্তন প্রয়োজন। ফলে আকাশে বিমানের গুঞ্জন আর মাটিতে বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন মৃত্যুভয় তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সরকার পতনের আশায় একটি অংশ আনন্দিত হচ্ছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…