ছয় মাসে সরকারের হালচাল: যারা থেকেছেন আলোচনায়
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রায় ছয় মাস অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিভিন্ন বক্তব্য, সিদ্ধান্ত এবং কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব বিষয় নিয়ে তৈরি হয়েছে তুমুল প্রতিক্রিয়া।
সরকার গঠনের শুরুতে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ছিল ৫০ জন। ১২ মার্চ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তাঁরা যথাক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পান। তাঁদের স্থলাভিষিক্ত হন আহমেদ আয়ম খান ও মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। এই সময়ে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী তাদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন।
এদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। গত ৫ মে তিনি বলেন, ‘গ্রামে প্রকৃত অর্থে কোনো লোডশেডিং নেই।’ পল্লী বিদ্যুতের লাইনে ত্রুটির কারণে সাময়িক বন্ধ থাকাকে লোডশেডিং না মনে করার তার এই ব্যাখ্যা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকও বিভিন্ন কারণে আলোচনায় এসেছেন।

