
গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, চালকদের দুর্দিন
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। শনিবার মগবাজার এলাকার একটি পাম্পে গ্যাসের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশা চালক রুহুল আমিন জানান, আগে মিনিটের মধ্যেই ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার গ্যাস নিয়ে সারাদিন কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু এখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে থেকেও প্রেসার কম থাকায় মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এক্সিলারেট এনার্জির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সিএনজি স্টেশনসহ সব খাতেই গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। ফলে গ্যাস স্টেশনগুলোতে প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় নির্ধারিত পরিমাণের আগেই সরবরাহ শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সিএনজি অটোরিকশা, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাইভেটকার চালকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই দিনে দুই থেকে তিনবার গ্যাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আয় কমে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের। এমনকি জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সগুলোও গ্যাস অপ্রতুলতার কারণে সময়মতো যেতে পারছে না।
সম্পর্কিত খবর
খরচ কমাতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার, অব্যাহত ৬ জনের
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, বাড়বে সামরিক সহযোগিতা
চট্টগ্রামে সড়কের গর্তে পড়ে লরির চাকায় প্রাণ গেল বাইকারের
শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস
সারাদেশে গ্যাস সংকট: ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন, আয় হারাচ্ছেন চালকরা
বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের প্রযুক্তি সেবা, এআই লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেল বাক্কো

আরও পড়ুন

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, চালকদের দুর্দিন
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। শনিবার মগবাজার এলাকার একটি পাম্পে গ্যাসের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশা চালক রুহুল আমিন জানান, আগে মিনিটের মধ্যেই ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার গ্যাস নিয়ে সারাদিন কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু এখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে থেকেও প্রেসার কম থাকায় মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এক্সিলারেট এনার্জির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সিএনজি স্টেশনসহ সব খাতেই গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। ফলে গ্যাস স্টেশনগুলোতে প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় নির্ধারিত পরিমাণের আগেই সরবরাহ শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সিএনজি অটোরিকশা, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাইভেটকার চালকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই দিনে দুই থেকে তিনবার গ্যাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আয় কমে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের। এমনকি জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সগুলোও গ্যাস অপ্রতুলতার কারণে সময়মতো যেতে পারছে না।
সম্পর্কিত খবর
খরচ কমাতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার, অব্যাহত…
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, বাড়বে সামরিক…
চট্টগ্রামে সড়কের গর্তে পড়ে লরির চাকায় প্রাণ গেল…
শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস
সারাদেশে গ্যাস সংকট: ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন, আয়…
বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের প্রযুক্তি সেবা, এআই লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড…