জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে বজ্রপাতের ঝুঁকি, সচেতনতাই মুক্তির উপায়
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বজ্রপাত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। এই দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পূর্বাভাস প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করার চেয়ে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আবহাওয়া সতর্কবার্তা অনুযায়ী আচরণে পরিবর্তন আনা সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর খামারবাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়।
রোববার (২৮ জুন) খামারবাড়ির কেআইবি কমপ্লেক্সে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই’। সচিব বলেন, বাংলাদেশ বহুমাত্রিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ এবং বর্তমানে ভূমিকম্প ও বজ্রপাত নিয়ে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি স্থানীয় পর্যায়ে সুরক্ষা অবকাঠামো তৈরি ও সচেতনতার ওপর জোর দেন।
সমন্বিত মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (রাইমস), বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন ও ব্র্যাক যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সেভ দ্য চিলড্রেনের জাভেদ মিয়াঁদাদ এবং রাইমসের ফকরুল আরেফিনসহ অন্যান্যরা তাদের সংস্থার কার্যক্রম তুলে ধরেন। ‘মাঠ থেকে কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় সুনামগঞ্জের মো. এমদাদ হোসেন, ফোরকান উদ্দিন ও সাগরিকারা অংশ নিয়ে বজ্রপাতের শিকার হওয়ার নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

