
ইরান ইস্যুর মাঝেই ইকুয়েডরে সন্ত্রাস দমনে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে সংঘাতের মধ্যেই দক্ষিণ আমেরিকায় নতুন সামরিক উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৩ মার্চ ইকুয়েডরের সঙ্গে যৌথভাবে সন্ত্রাসী ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে দেশটি। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান বলেছেন, এই অভিযান অংশীদার দেশগুলোর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকাশিত ভিডিওতে হেলিকপ্টার থেকে নজরদারির দৃশ্য দেখা গেলেও মার্কিন বাহিনী সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না। তারা ইকুয়েডর সেনাবাহিনীকে গোয়েন্দা তথ্য ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করছে।
হোয়াইট হাউসের সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, এলাকার মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সহিংসতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ করছে ওয়াশিংটন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরান ইস্যুর মাঝেই ইকুয়েডরে সন্ত্রাস দমনে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে সংঘাতের মধ্যেই দক্ষিণ আমেরিকায় নতুন সামরিক উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৩ মার্চ ইকুয়েডরের সঙ্গে যৌথভাবে সন্ত্রাসী ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে দেশটি। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান বলেছেন, এই অভিযান অংশীদার দেশগুলোর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকাশিত ভিডিওতে হেলিকপ্টার থেকে নজরদারির দৃশ্য দেখা গেলেও মার্কিন বাহিনী সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না। তারা ইকুয়েডর সেনাবাহিনীকে গোয়েন্দা তথ্য ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করছে।
হোয়াইট হাউসের সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, এলাকার মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সহিংসতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ করছে ওয়াশিংটন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…