মার্কিন আগ্রাসনে মিত্ররা ক্ষতিগ্রস্ত, নীরবতা কৌশল নাকি দুর্বলতা চীনের

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০৪ মার্চ ২০২৬ ১১:১৩ পিএম
মার্কিন আগ্রাসনে মিত্ররা ক্ষতিগ্রস্ত, নীরবতা কৌশল নাকি দুর্বলতা চীনের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বেইজিংয়ের দুই অন্যতম কৌশলগত মিত্রকে কোণঠাসা করেছেন। একদিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে কারাকাস থেকে অপহরণ করে নিউইয়র্কে আটকে রেখেছে মার্কিন স্পেশাল ফোর্স, অন্যদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় চীন নিন্দা জানালেও তাদের মিত্রদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এগিয়ে আসেনি। বিশ্লেষকদের অভিমত, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এখন বাস্তববাদী পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করছেন।

বেইজিং সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার এবং অন্য একজন শীর্ষ নেতাকে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের মূল অগ্রাধিকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি মাসেই বেইজিংয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা সামনে রেখে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না চীন। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ফোকাস ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাওয়াকে চীন হয়তো স্বস্তিদায়ক মনে করছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিস’-এর ক্রেইগ সিঙ্গেলটন বলেন, চীন সুসময়ের বন্ধু। তারা হয়তো জাতিসংঘে কড়া ভাষা ব্যবহার করবে কিন্তু ইরান বা ভেনেজুয়েলাকে বড় ধরনের সামরিক বা অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে আগ্রহী নয়। ইরানের সঙ্গে চীনের সীমিত বাণিজ্য ও সামরিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে গত এক বছরের ইতিবাচক বাণিজ্যিক অগ্রগতি নষ্ট করে তেহরানের পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো পদক্ষেপই এখন নিচ্ছে না বেইজিং।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...